ইউনেস্কোর হেরিটেজ প্রাপ্তির ফলকে নাম নেই রবীন্দ্রনাথের। সেখানে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিশ্বভারতীর উপাচার্যের নাম। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি দিলেন হুঁশিয়ারিও।
উৎসবের মরশুমের শুরুতেই চার শতাংশ দিয়ে বেড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের। মোদি সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা হওয়ার পরেই পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরা নিজেদের দিয়ে বাড়ানোর দাবিতে সরব হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দুর্গাপূজা উদ্বোধনে গিয়ে ডিএ প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শুধু তাই নয় কিভাবে নিজেদের বকেয়া দিয়ে পাবেন সরকারি কর্মীরা সে প্রসঙ্গেও তাদের পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
এখনও অবধি কাউকেই নিশ্চিত করে সময় দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে গত কয়েক বছরই মহালয়া থেকেই শহরের বড় বড় পুজো মণ্ডপ গুলি উদ্বোধনের শুরু করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবছর এখনও পর্যন্ত সেই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি পুজো উদ্যোক্তাদের। আর দিনক্ষণ না জানানোয় ফলেই রীতিমত দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কলকাতার বড় বড় পুজো মণ্ডপের উদ্যোক্তারা। কিন্তু শহরের পুজোগুলিকে সময় না দিলেও ভার্চুয়াল মাধ্যমে জেলার পুজোগুলির উদ্বোধন করবেন বলেই জানিয়ে দিলেন মাননীয়া।
পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে। সিকিম ও কালিম্পঙের বিস্তীর্ণ এলাকায় পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। আর এবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবার মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে পাহাড়ে পাঠাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, উত্তরের বাসিন্দাদের পাশে থাকার জন্য অরূপ বিশ্বাসকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই ধুপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়কে শপথবাক্য পাঠ করাতে সোমবারই চিঠি পাঠানো হয়েছিল রাজভবনে। যেহেতু রাজ্যপালের ১২ দিনের জন্য বিদেশে থাকার কথা ছিল, তাই তাঁর সফর শুরুর আগেই বিধায়কের শপথবাক্য পাঠ করাতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায় রাজ্যপালের বিদেশ সফর।
পশ্চিমবঙ্গে লগ্নির কারণে স্পেন ও দুবাই সফরে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিদেশ সফর সেরে শনিবার সন্ধ্যায় তিলোত্তমায় ফেরেন তিনি। আর কলকাতা বিমানবন্দরে পা রেখে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, তাঁর বিদেশ সফর সফল হয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক বড় বড় চুক্তি হয়েছে। আর এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে যায় রাজ্যপালে আরও একটি চিঠি! ওই চিঠিতে কি লিখলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস?