এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ, আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে, এবং এই সম্মেলন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের এক বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিন রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ দিবস পালন করবে তারা। পরিকল্পনা, জেলায় জেলায়, ব্লকে ব্লকে এদিন আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে মিছিল, মিটিং বের করা হবে। যদিও সকালের প্রথম ভাগে বনধের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি।
সেই নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে বাংলায় ‘মেয়েরা রাত দখল করো’র ডাক। সেই ডাকে কলকাতা থেকে জেলা ছাড়িয়ে ডাক পৌঁছেছে দেশের নানান প্রান্তে… সর্বত্র রয়েছে প্রতিবাদ মিছিল। তীব্র প্রতিবাদে আজ গলা ফাটাবে কল্লোলিনী তিলোত্তমা। গর্জে উঠেছে চুঁচুড়া থেকে সোদপুর। সঙ্গে গোটা বাংলা।
ওঁনার অসুস্থতার খবর পেয়ে আমরা ওঁনাকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু কোনও প্রচেষ্টাই কাজে এল না ।এই দু:খের দিনে আমি ওঁনার পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব, সহকর্মীদের আমার আন্তরিক সহমর্মিতা জানাই।
দিল্লি পৌঁছে বিকেলে তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দেবেন মমতা। এর পাশাপাশি দিল্লিতে সাংবাদিকদের সাথে চা চক্রে যোগ দেবার কথাও রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের সাথেও দেখা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।