আগামী ২৭ জুলাই, শনিবার দিল্লিতে নীতি আয়োগের গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক। তার আগে অভিষেককে সাথে নিয়ে দিল্লি রওনা মুখ্যমন্ত্রীর। অভিষেক কে সাথে নিয়ে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা মুখ্যমন্ত্রীর। তবে নীতি আয়োগ বৈঠকের পাশাপাশি, রয়েছে বেশ কিছু রাজনৈতিক কর্মসূচও। শুক্রবার দিল্লি যাত্রার আগে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বললেন একদিকে আর্থিক বঞ্চনা অন্যদিকে বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছে বিজেপি। এই কথাও তিনি তুলে ধরবেন নীতি আয়োগের ওই বৈঠকে।

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে সাথে নিয়ে বলেন, অনেক আগেই যেহেতু এই বৈঠকে যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং কথাও দিয়েছিলেন সেই উদ্দেশ্যেই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন তিনি। এদিন বাজেটে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “বাজেটে যেভাবে বাংলা সহ বিরোধী রাজ্যগুলিকে বঞ্চনা করা হয়েছে তা মেনে নিতে পারছি না, একেবারে দ্বিমাত্রিসুলভ আচরণ করা হয়েছে। তারপরেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতারা বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত করছে।



একদিকে আর্থিক বঞ্চনা অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে বাংলাকে টুকরো টুকরো করে দেওয়ার পরিকল্পনা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজে বাংলাকে ভাগ করে দেওয়ার কথা বলছেন সংসদে।” এরপরেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, “আমি শুধু যাচ্ছি বৈঠকে যোগ দেবো কিছুক্ষন থাকব। ভয়েস রেকর্ড করতে দিলে করবো নাহলে বেরিয়ে আসবো। চেষ্টা করবো আমার রাজ্যের হয়ে কথা বলা।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি নীতি আয়োগের বৈঠকে থাকবেন হেমন্ত সোরেনও।
অভিষেককে সাথে নিয়ে দিল্লি রওনা মুখ্যমন্ত্রীর, তার আগে বাংলা ভাগ নিয়ে সরব মমতা

এরপরেই অভিষেককে সাথে নিয়ে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগদান ছাড়াও দিল্লিতে একাধিক কর্মসূচি ছিল মমতার। দিল্লি পৌঁছে বিকেলে তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দেবেন মমতা। এর পাশাপাশি দিল্লিতে সাংবাদিকদের সাথে চা চক্রে যোগ দেবার কথাও রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের সাথেও দেখা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







