আগামী ২৭ জুলাই, শনিবার দিল্লিতে নীতি আয়োগের গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক। সেখানে পৌরোহিত্য করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই নীতি আয়োগের বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা। সেই কারণে বৃহস্পতিবার দিল্লি রওনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকের সময় চেয়ে নবান্নের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছে। এখন, নরেন্দ্র মোদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন কিনা সেটাই দেখার। যদি সময় মেলে, তাহলে, শনিবারের আগেই দুই যুযুধান প্রতিপক্ষ ফের একবার সামনাসামনি হতে পারেন।
অন্যদিকে, বাজেটে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে নীতি আয়োগের বৈঠক বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। তেলেঙ্গানার রেবন্ত রেড্ডি, কর্নাটকের সিদ্ধারামাইয়া, হিমাচল প্রদেশের সুখবিন্দর সিং সুখুর পাশাপাশি ডিএমকে শাসিত তামিলনাড়ুর এমকে স্ট্যালিনও বৈঠক বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেবেন এখনও পর্যন্ত সেটাই জানা গিয়েছে।



লোকসভা নির্বাচনের পর এটাই হতে চলেছে মমতার প্রথম দিল্লি সফর। রাজ্যের একাধিক দাবিদাওয়ার কথা তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চান। ১০০ দিনের কাজ বা আবাস যোজনার বকেয়া অর্থ কবে পাওয়া যাবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি, শনিবার নীতি আয়োগের বৈঠকে মমতা কী বলবেন তা নিয়ে প্রস্তুতি চলছে সচিবালয়ে। জোগাড় করা হচ্ছে অনেক নথিপত্র।
সপ্তাহান্তে মোদি-মমতা সাক্ষাতের সম্ভাবনা, বাজেটে কেন বঞ্চিত বাংলা? জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী!



মঙ্গলবার তৃতীয় এনডিএ সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আর বাজেট ঘোষণার পর থেকেই অসাম্যের অভিযোগে সরব বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। বুধবার সংসদ চত্বরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাজেটের বিরোধিতায় সরব হতে দেখা গেল কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন প্রমুখদের। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মতে, এই বাজেট কুর্সি বাঁচাও বাজেট!একই অভিযোগ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। তিনি এই বাজেটকে ‘দিশাহীন, গরীব বিরোধী এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিহিত করেছেন।








