মুখ্যমন্ত্রী প্রেক্ষাগৃহে আসার আধঘণ্টা আগে দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়। প্রেক্ষাগৃহের গেটের সামনে অনেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। তখন দমকা হাওয়া দেয়। তার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আধিকারিকেরা জানান, তেমন কিছুর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তখন মমতা তেলাপিয়া মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন। ‘জল ভরো, জল ধরো’ প্রকল্পে কাটা পুকুরে তেলাপিয়া মাছ ছাড়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, তেলাপিয়া মাছ নিয়ে যারা মিথ্যা খবর রটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি?
আবার তো শুনছি বাংলাদেশ এর সঙ্গে ফারাক্কা নিয়ে চুক্তি নবীকরণ করা হলো, আমাদের সঙ্গে কথা না বলেই। আবার তিস্তার জল দিয়ে দেবে। তিস্তায় কি জল আছে যে দেবে ? উত্তরবঙ্গের একটা লোকও খাওয়ার জল পাবে না।'
তাদের অনুমান এই ধরনের ফেস্টিভ্যাল হলে কলকাতা সম্পর্কে বিদেশী উদ্যোগ পতিদের আগ্রহ বাড়বে। ফলে লাভ হবে রাজ্য তথা রাজ্যবাসীর। বাড়বে কর্মসংস্থান। অপরদিকে রাজ্যের অর্থনৈতিক দিকটাও শক্ত হবে।
এই ঘটনায় পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, চিঠিতে কী লেখা আছে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। কেউ বা কারা রাতের অন্ধকারে একাজ করেছে। ঘটনার নেপথ্যে কারা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আমি দিল্লির কথা বলছি। সেখানে INDIA জোটকে নেতৃত্ব দিয়ে, বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করে দেব আমরা। যাতে বাংলার মা-বোনেদের কোনও অসুবিধা না হয়, ১০০ দিনের কাজের টাকা না আটকায়।”