ময়না তদন্তের রিপোর্ট দেখে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ঠেলে বা চাগিয়ে তুলে ফেলা নয়, ধস্তাধস্তির সময়েই ওপর থেকে পড়ে গেছিলেন আনিস। যার জন্য মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছিল তাঁর। ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই তিন পুলিশকর্মী এএসআই নির্মল দাস, কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রম এবং হোমগার্ড কাশীনাথ বেরাকে সাসপেন্ড করেছে প্রশাসন।
জানা গিয়েছে, গত সোমবার সিট গঠনের নির্দেশ জারি হওয়ার পরেই থানায় আসেন তার দুই সদস্য। সেখানে পুলিশ সুপারের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনার পর পৃথক পৃথকভাবে চালানো হয় জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া।
এরপরেই প্রতিনিধি হিসেবে আনিসের বাড়িতে আসেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী। তাকে দেখেও ক্ষোভে ফেটে পড়ে এলাকার মানুষ। সকলের দাবি, অবিলম্বে ধরতে হবে আনিসের হত্যাকারীদের। পুলক রায় বলেন,“ আমরা সকলেই পরিবারের পাশে রয়েছি।
আনিস হত্যাকাণ্ডে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী তিন দিনের মধ্যে রাজ্যকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।
তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক সুকান্ত পাল জানিয়েছেন, আনিসের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল। আনিস খুবই ভালো ছেলে বলেও জানিয়েছেন তিনি। দাবি করেছেন, ঘটনার তদন্ত হোক। দোষীরা শাস্তি পাক। বাম সাংসদ তথা বিকাশ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের ওপর তাঁদের কোন আস্থা নেই।