আনিসকাণ্ডে চাই সিবিআই তদন্ত। এই দাবিতে ফের পথে নামতে চলেছে সিপি(আই)এমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। আনিসের পরিবারকে বিচার পাইয়ে দিতে এবার রাজ্যজুড়ে সই সংগ্রহ এবং বিক্ষোভে নামতে চলেছে ডিওয়াইএফআই। তাঁদের বক্তব্য, আনিসের মৃত্যুর জন্য পুলিশ দোষী। তাঁদের শাস্তি দিতে হবে।
পুলিশকর্মীরা সিঁড়ি দিয়ে উঠে কী দেখলেন? রিপোর্টে তার উল্লেখ নেই কেন? আনিস যদি পালাতে গিয়ে পড়ে যায়, তা হলে কীভাবে ৩০৪এ ধারা প্রযোজ্য হবে? পালাতে গিয়ে পড়ে গেলে পুলিশ কেন দায়ী হবে? আনিসের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে, তাঁকে ৪১এ নোটিস পাঠানো প্রয়োজন ছিল। সেই নোটিস পাঠানো হয়েছে কী?
এখনও হয়নি আনিস খানের খুনের কিনারা। ছাত্রনেতা আনিস খানের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ফের পথে নামল বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। এদিন আনিস খানের বাড়ির সামনে থেকেই শুরু হয় মিছিল। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী মুখ্যোপাধ্যায়।
শুরু থেকে আনিসের পরিবারের পাশে ছিল বাম, কংগ্রেস এবং আইএসএফ। এর আগে আনিস খানের বাবার সঙ্গে একাধিকবার দেখা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর সাথে পা মেলান আনিসের বাবা সালেম খান। ঈদের দিন আনিস খানের বাড়িতে সেলিম-শতরূপ-নওশাদ।
আদালতের অবমাননা করেছেন। তাই ক্ষমা চাইবেন আনিসের বাবা। মঙ্গলবার এমনটাই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। হলফনামা জমা দিয়ে আনিসের বাবা সালেম খানকে ক্ষমা চাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগ, যে আদালতের কাছে বিচার চাইতে উপস্থিত হয়েছেন, সেই আদালতের অবমাননা করেছেন তিনি। নাহলে মামলা থেকে সরে দাঁড়াবেন তিনি।