নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৯ তারিখ আনিস খানের হত্যার ঘটনায় রিপোর্ট জমা পড়ে কলকাতা হাইকোর্টে। প্রায় ৮২ পাতার রিপোর্ট মুখবন্ধ একটি খামে বিচারপতি রাজশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের তরফে জমা দেওয়া হয়। আনিসকাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্টে খামতির অভিযোগ তুললেন মামলাকারী আইনজীবী। তাঁর অভিযোগ আত্মহত্যা বলে চেষ্টা করছে রাজ্য।
আরও পড়ুনঃ এবার শহরে চালু হচ্ছে ই-বাস, জানুন কোন রুটে আর ভাড়া কত?
গত ১৯ তারিখ রাজ্যের তরফে ৮২ পাতার রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। রিপোর্টের প্রতিলিপি দেওয়া হবে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। বিচারপতির নির্দেশ তিনি রিপোর্টের গোপনীয়তা বজায় রাখবেন। এদিন আদালতের কাছে আইনজীবী জানিয়েছেন, রিপোর্টে তাঁরা খুশি নন। কোনও তদন্ত হচ্ছে না। আসলে অনুসন্ধান হচ্ছে বলেও দাবী করেছেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।

একইসঙ্গে আদালতের কাছে তিনি জানিয়েছেন, অপরাধীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে না। অন্য সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের আর্জি জানাচ্ছেন তাঁরা। এদিন হাইকোর্টের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, কি কি খামতি রয়েছে তা এক সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। পরবর্তী শুনানি ১২ মে।
আনিসকাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্টে খামতির অভিযোগ মামলাকারী আইনজীবীর

এর আগে অবশ্য একাধিকবার রাজ্যের তৈরি সিটের ওপর অনাস্থা এনেছে আনিস খানের পরিবার। রাজ্য পুলিশের হাতে তাঁদের ছেলের মৃত্যু হয়েছে। সেই রাজ্য পুলিশ কীভাবে তদন্ত করবে? প্রশ্ন তোলেন আনিস খানের বাবা সালেম খান। সিবিআই তদন্তের দাবীতে সরব হয়েছিলেন তাঁরা। তবে কী আনিস হত্যার তদন্তভারে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



