নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৭২ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও আনিস–কাণ্ডে ধরা পড়েনি এক জনও। কেন? এই প্রশ্ন তুলে পথে ঝড় তুলতে শুরু করেছেন পড়ুয়ারা। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, নিজেদের মতো করে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে হাজারো ছাত্রছাত্রী। দাবি একটাই, আনিস কাণ্ডে দোষীদের সাজা দিতে হবে। এরই মাঝে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল SIT। জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে পুলিশই গেছিল আনিসের বাড়িতে!
আরও পড়ুনঃ কিভাবে তৈরি হল ‘কাঁচা বাদাম’ গান? দাদাগীরির মঞ্চে ঝড় তুললেন ভুবন বাদ্যকার।


এদিন আনিস–কাণ্ডে প্রতিবাদ জানিয়ে মহাকরণ পর্যন্ত অভিযানে নামে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। যদিও গন্তব্যে পৌঁছনো হয়নি। পথে পার্ক সার্কাস ক্রসিংয়ে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। পড়ুয়াদের আটকানোর জন্য পুলিশ আগেই প্রস্তুত হয়েছিল। সেইমত ডোরিনা ক্রসিংয়ে ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড দেওয়া হয়। অবশ্য তার আগে পার্ক সার্কাসেই তাঁদের আটকানো হয়।
এদিকে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং টিম। প্রশ্ন একটাই, ঘটনার রাতে পুলিশকর্মীরাই কি গেছিলেন আমতায় ছাত্রনেতা আনিসের বাড়িতে? গভীর রাতে দরজা খুলে কি তাঁরাই ঢুকেছিলেন? সূত্রের খবর, প্রথম দিনের তদন্তেই কিছুটা আলো দেখতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, পুলিশই গেছিল আনিসের বাড়িতে। সূত্রের দাবী, সম্ভবত পুরনো একটি মামলার সূত্রে পুলিশ ওই রাতে অভিযানে গিয়েছিল।
ঘটনার রাতে পুলিশই গেছিল আনিসের বাড়িতে, চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল SIT

সূত্র জানাচ্ছে, জেরার পাশাপাশি ওই রাতে আমতা থানায় কর্তব্যরত সমস্ত পুলিশ কর্মীর মোবাইল টাওয়ার লোকেশনও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। সবকিছু খতিয়ে দেখেই সিটের সন্দেহ ওই রাতে স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীরা আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে তাকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।



ময়না তদন্তের রিপোর্ট দেখে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ঠেলে বা চাগিয়ে তুলে ফেলা নয়, ধস্তাধস্তির সময়েই ওপর থেকে পড়ে গেছিলেন আনিস। যার জন্য মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছিল তাঁর। ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই তিন পুলিশকর্মী এএসআই নির্মল দাস, কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রম এবং হোমগার্ড কাশীনাথ বেরাকে সাসপেন্ড করেছে প্রশাসন।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



