আনিস খানের হত্যাকাণ্ড সীতকে দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ আগেও তুলেছিলেন মৃত আনিস খানের বাবা সালেম খান। সোমবার বিচারপতি উপস্থিত না থাকার কারণে এবার বিচারব্যবস্থার উদ্দেশ্যে একই প্রশ্ন তুললেন আনিসের বাবা। বললেন মুখ্যমন্ত্রী কী চাপ দিচ্ছেন?
তকাল ঘড়ির কাঁটায় ঠিক ৩ টে বেজে ৯ মিনিটে দেহ পৌঁছয় হাসপাতালে। বিকেল চারটেয় শুরু হয় ময়নাতদন্ত। চার ঘণ্টা ধরে চলে আমতার মৃত ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন ভঙ্গিতে আনিসের দেহের ১১ টি এক্স-রে করা হয়েছে বলে খবর।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বারাসতের জেলা বিচারকের পর্যবেক্ষণে সেখানে আনিস খানের দেহের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করা হবে৷ ময়নাতদন্তের সময় আনিস খানের শরীরের ভিসেরার নমুনা সংরক্ষণ করা হবে৷
বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতিতে নিজের দাবি জানান আনিসের বাবা সালেম। একটু উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোন তিনি বলেন, ‘‘আমি ওসিকে গ্রেফতার করার জন্য, সিবিআই তদন্ত করার জন্য, পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপপ্রধানকে গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি।’’ এর পরেই আমতা থানার ওসি-তে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে বরফ গলেনি।
বৃহস্পতিবার রাজ্যপুলিশের তরফে একটি ট্যুইট করে আবেদন করা হয়, আনিস কাণ্ডে যেন জনতা এবং তাঁর পরিবার শান্ত থাকে পাশাপাশি ভরসা রাখে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট(SIT) এর উপর। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মূলত প্রয়াত আনিসের পরিবার যাতে সিবিআই তদন্তের দাবি থেকে সরে আসে তার জন্যেই তাঁদের এই আবেদন।