নজরবন্দি ব্যুরোঃ ছাত্রনেতা আনিস খান খুনে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন গ্রেফতার হওয়া হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্য। তাঁরা নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করে আমতা থানার ওসির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেফাজত হলেও পার পেলেন না ওসি দেবব্রত চক্রবর্তী। আমতা থানার ওসি-কে বৃহস্পতিবার অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল।
আরও পড়ুনঃ বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাংলায়, নবান্নে ইমামি গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক মমতার।


আনিস-হত্যার প্রতিবাদে আমতা থানায় ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে আজ। এদিন দুপুরে আমতা থানা ঘেরাও করে আনিসের প্রতিবেশীরা। বিরাট পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি আমতা থানার সামনে ৩ টি ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ব্যারিকেড ভেঙে দেয় উত্তেজিত জনতা। প্রথম দুটি ব্যারিকেড উড়িয়ে দিয়ে তৃতীয় ব্যারিকেডে হামলে পড়ে আনিশের পাড়া পড়সিরা। মিছিল থেকে পুলিশ এবং থানাকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়।পরিস্থিতি ব্যাপক উত্তেজনাকর যায়গায় পৌঁছে যায়।
পরে সেখানেই বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতিতে নিজের দাবি জানান আনিসের বাবা সালেম। একটু উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে মাইক্রোফোন তিনি বলেন, ‘‘আমি ওসিকে গ্রেফতার করার জন্য, সিবিআই তদন্ত করার জন্য, পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপপ্রধানকে গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি।’’ এর পরেই আমতা থানার ওসি-তে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল।
আপাতত সিটের ওপরই আস্থা রাখল হাইকোর্ট, আনিস হত্যায় সাসপেন্ড আমতা থানার ওসি।

সূত্রের খবর, আমতা থানায় ওসি-র দায়িত্ব পেয়েছেন কিঙ্কর মণ্ডল। এদিকে আপাতত সিটের ওপরই আস্থা রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে জেলা জজের উপস্থিতিতে মৃত আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এই প্রসঙ্গে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আনিসের বাবা। তিনি জানিয়েছেন সিবিআই তদন্ত থেকে এক চুল নড়বেন না তিনি।









