নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার রাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পুলিশকর্মীকে। আমতা থানার হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, ধৃত হোমগার্ডের স্ত্রী আনিস হত্যায় সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন। এদিকে আনিস-হত্যার প্রতিবাদে আমতা থানায় ধুন্ধুমার কান্ড বাঁধল শুক্রবার। এদিন দুপুরে আমতা থানা ঘেরাও করে আনিসের প্রতিবেশীরা।
আরও পড়ুনঃ রাশিয়া বনাম ইউক্রেন যুদ্ধের জের, কলকাতার বাজারে লাফিয়ে দাম বাড়ল সোনার!


মিছিল হবে একথা আগেই জানত পুলিশ প্রশাসন। সেইমত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয়েছিল আমতা থানা। বিরাট পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি আমতা থানার সামনে ৩ টি ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ব্যারিকেড ভেঙে দেয় উত্তেজিত জনতা। প্রথম দুটি ব্যারিকেড উড়িয়ে দিয়ে তৃতীয় ব্যারিকেডে হামলে পড়ে আনিশের পাড়া পড়সিরা। মিছিল থেকে পুলিশ এবং থানাকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়।পরিস্থিতি ব্যাপক উত্তেজনাকর যায়গায় পৌঁছে যায়।
আরও পড়ুনঃ রাশিয়ার সেলিং-এ মৃত্যু ৭ ইউক্রেনবাসীর, পাল্টা ৫টি রুশ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করল ইউক্রেন!
বৃহস্পতিবার আনিসের আমতার বাড়িতে তাঁর পারলৌকিক কাজ ছিল। আনিসের পাড়া পড়শিরা জানিয়েছিলেন, সেই কাজ সম্পন্ন হলেই তাঁরা মিছিল করে যাবেন আমতা থানায় ঘেরাও করতে। আনিশের হত্যাকারীদের শাস্তি দেওয়ার জন্যে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন তাঁরা। সেইমতই এদিন আমতা থানা ঘেরাও করে পাড়া পড়শিদের অরাজনৈতিক মিছিল। মিছিল থেকে ছোঁড়া ইটের ধাক্কায় ২ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।


ভাঙল পুলিশের ব্যারিকেড, ইটবৃষ্টি, আনিস-হত্যার প্রতিবাদে আমতা থানায় ধুন্ধুমার।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাজ্যপুলিশের তরফে একটি ট্যুইট করে আবেদন করা হয়, আনিস কাণ্ডে যেন জনতা এবং তাঁর পরিবার শান্ত থাকে পাশাপাশি ভরসা রাখে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট(SIT) এর উপর। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মূলত প্রয়াত আনিসের পরিবার যাতে সিবিআই তদন্তের দাবি থেকে সরে আসে তার জন্যেই তাঁদের এই আবেদন।
উল্লেখ্য, ধৃত কাশিনাথের স্ত্রীও দাবি করেছেন সিবিআই তদন্তের। তাঁর কথায়, উচ্চপদস্থ পুলিশের অনুমতি ছাড়া তদন্তে যেতে পারে না হোমগার্ড। কার নির্দেশে আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন কাশীনাথ বেরা? তা জানতে সিবিআই তদন্ত চাই। নাহলে সত্য ধামাচাপা পড়ে যাবে। আনিস খুনে ধৃত হোমগার্ডের স্ত্রীর এই চাঞ্চল্যকর দাবিতে বেকায়দায় পড়েছে প্রশাসন।







