বিভিন্ন ইস্যুতে একে অপরকে আক্রমণ করে চলেছেন তাঁরা। এরইমধ্যে এই সংঘাত এক নতুন মাত্রা পেল। রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহকে নাম না করে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক।
বিএসএফের একাংশ গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে ইডির চার্জশিটেই উল্লেখ রয়েছে বলে মত মন্ত্রীর। উদয়ন গুহর যুক্তি, ‘শিক্ষা দফতরের দুর্নীতির জন্য যদি শিক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে গতকালই ইডি চার্জশিটে বলেছে গরু পাচারে বিএসএফ জড়িত। সেক্ষেত্রে সেই মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কেন গ্রেফতার হবে না।’
নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সারা রাজ্য জুড়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। শাসক দলের একের পর এক নেতাদের যখন প্রতিদিন নাম জড়াচ্ছে, তখন পাল্টা যুক্তি দিতে নেমে পূর্বসূরী বাম আমলের কথা তুলে ধরছেন শাসক দল তৃণমূলের নেতারা। এরই মধ্যে জ্যোতি বসুকে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ মন্ত্রী উদয়ন গুহর। অভিযোগ, এক সিপি(আই)এম নেতার ছেলেকে ডাক্তারিতে সুযোগ পাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
মঙ্গলবার স্যোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে এবার সেলিমের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগলেন উদয়ন। তিনি বলেন,একেবারে নিয়োগ দুর্নীতি তালিকা হাজির করে বলেন, এরা সবাই ৩য় বিভাগে পাস করে প্রা:শিক্ষিকের চাকরি করেছেন। সনাতন সাহা, বিমল দাস, অঞ্জলি সেন, মলয় রায়, মলয় গুহ নিয়োগী। পর পর আরও আসবে। সেলিম আপনারা শুধু নিজের বাবার নয়, শিক্ষার বাবারও পিন্ডি চটকিয়েছেন।
এহেন বাবার বিরুদ্ধে শনিবার উদয়ন বলেন, ‘দলের স্বার্থে দুর্নীতি করেছেন কমল গুহ। বাবাকে বাঁচানোর জন্য কোনও কথা বলব না। বাবা সেই সময় অনেককে চাকরি করে দিয়েছেন। বাবার সামনে তালিকা তৈরি করা হয়েছিল।
১৫ দিনের মধ্যে চিহ্নিত করতে হবে এটা তৃণমূলের বাড়ি। এ বাড়িতে আর অন্য কারও স্থান নেই। আমরা দেখতে চাই ১৫ দিনের মধ্যে এই অঞ্চলের প্রত্যেকটা বাড়িকে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত বাড়িতে তৃণমূলের পতাকা লাগানোর ফরমান মন্ত্রীর। তাঁর কথায়, মালিক যেন স্বেচ্ছায় এসে বলেন আমাদের বাড়িতে পতাকা লাগান।
যারা এই অসৎ কাজ করেছে আমি যদি টিকে থাকি তাহলে এসমস্ত লোকেদের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে না। তার জন্য যদি আমার পদ যায় যাক। কিন্তু দুর্নীতি বরদাস্ত নয়।”