রাজ্য সরকারের তরফে বর্ধিত ৩ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলা হলেও আন্দোলন তুলতে নারাজ সরকারি কর্মচারিরা। এখন তা নিয়ে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। যা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর কথায়, ২০-২১ না আসলে ২২ তারিখ বাড়িতেই থাকুন।
বুধবার রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, একজন এসেছেন আর অন্তত ১২ জন অপেক্ষা করছেন। যা নিয়ে ফের রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, এর আগে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছিল এখনও ১৩ জন বিধায়ক দলবদলের জন্য অপেক্ষা করছেন।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেছিলেন, ‘ভোটে জেতার পরে আর এলাকায় ঢোকেননি নিশীথ প্রামাণিক। দাড়ি-গোঁফ উপড়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে।’ এবার নিশীথের চেয়ার কেড়ে নিতে চাইলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী।
কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কোচবিহারের সিতাই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছে তৃণমূল ও বিজেপি। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর হুঁশিয়ারির পরেই নিশীথের ওপর হামলা। শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। উদয়ন এবং কেষ্ট সেম ক্যাটাগরির, দাবি করলেন তিনি।
গত বিধানসভা নির্বাচনে এই শীতলকুচিতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হন পাঁচজন গ্রামবাসী। একুশের নির্বাচন থেকেই বিতর্কের শিরোনামে শীতলকুচি। রবিবারের গন্ডগোলের পর উদয়নের হুমকির জেরে ফের কেন্দ্রবিন্দুতে শীতলকুচি।
ফের আলাদা উত্তরবঙ্গ দাবির বিরুদ্ধে সরর হয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ। পাল্টা বিজেপি তৃণমূলের আঁতাত বলে কটাক্ষ করেন সিপি(আই)এম নেত্রী মীনাক্ষী মুখ্যোপাধ্যায়। আলাদা উত্তরবঙ্গের দাবিতে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে দাবি মীনাক্ষীর।
সম্প্রতি তাকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব দিয়েছে দল। দলে নিজের গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই উদয়ন দিনহাটা সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দলের সংগঠনকে মজবুত করা, স্বচ্ছতা, দুর্নীতি রোধ এবং জনসংযোগে মনোযোগী হওয়ার বার্তা দিচ্ছেন বলে সচেতন রাজনৈতিক মহলের মত।