পশ্চিমবঙ্গেই এমন কিছু পর্যটনস্থল রয়েছে যা ভ্রমণপ্রেমীদের অবাক করবে। সেগুলির মধ্যেই একটি আজকের গন্তব্য। পাহাড়ের উপর রয়েছে আস্ত একটি আইল্যান্ড বা দ্বীপ! বিশ্বাস করতে পারছেন না? তাহলে একবার ঘুরেই অসুন এখানে। বিগত কয়েক বছরে মধ্যেই এটি পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। পাহাড়প্রেমীদের জন্য আদর্শ ঠিকানা।
আজকাল ব্যস্ততার যুগে নিজের জন্য একটু ফাঁকা সময় বের করা যেন সম্ভব হয় না। বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে কখন গোটা দিন কেটে যায় তা বুঝে ওঠার আগেই নতুন দিন চলে আসে। এই একঘেয়েমি কাটাতে কয়েকদিনের জন্য কাছাকাছি কোথাও ঘুরতে যেতে চাইছেন! চলে আসতে পারেন কলকাতার কাছেই এই গ্রামীণ পর্যটনকেন্দ্রে। সাধ্যের মধ্যেই সাধ মিটবে আপনার।
কাজের ফাঁকে উইকেণ্ডের ছুটিতে ট্রি হাউজের ঠিকানায় চলে আসতে পারেন। নিরিবিলি পরিবেশে প্রকৃতির নৈস্বরগিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। চারিদিকের সবুজের নির্জনতা আপনাকে গোটা সপ্তাহের ক্লান্তি ভুলিয়ে দিতে বাধ্য। বন্ধুদের সঙ্গে কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে এখানে চলে আসতে পারেন। সারা দিন কাটিয়ে আবার রাতের মধ্যেই বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যাবেন।
কলকাতার কাছেই রয়েছে সমুদ্র সৈকত দিঘা। পূর্ব মেদিনীপুরের এই পর্যটন কেন্দ্র বেশ জনপ্রিয়। দূর দূরান্ত থেকে পর্যটকদের ভিড় জমে এখানে। তাঁদের আনন্দ এবং বিনোদনের জন্য নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল। এবারের নতুন সংযোজন প্রমোদতরী। জানা গিয়েছে, হলদিয়া ডেভলপমেন্ট অথারিটির তরফ থেকে এমভি নিবেদিতা নামের একটি প্রমোদতরী দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রমোদতরীর সাহায্যেই পর্যটকরা অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।
রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ রয়েছে। সন্ধ্যে নামলেই ক্যাম্প ফায়ারের সঙ্গে বার্বিকিউ চিকেন উপভোগ করতে পারবেন। ক্যাম্পে গিয়ে আতিথেয়তায় মন ভরবে। এখানে আসতে হলে আগে থেকে বুকিং করে রাখাই ভালো। থাকার পাশাপাশি চারবেলা খাওয়া খরচ পড়বে মোট ১৫০০ টাকা।
ওড়িশার বালাসোরের কাছে অবস্থিত বাগদা সি বিচ। এর সম্পর্কে অনেকেই হয়তো জানেন না। তাই দিঘা, পুরী, মন্দারমণির মত ভিড় হয় না এখানে। শান্ত-নিরিবিলি পরিবেশে সমুদ্রের পাড়ে সময় কাটাতে পারবেন। বাগদা সি বিচকে 'ভার্জিন সি বিচ' বলা চলে। সি বিচ জুড়ে দেখা মিলবে ঝাঁকে ঝাঁকে লাল কাঁকড়ার। বালাসোর শহর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত আজকের গন্তব্য।
১৯৭১ সালের আগে 'বাংলাদেশ'-এর কোনও অস্তিত্ব ছিল না। ২০১০ সালে বান্ডিপুরা জেলা প্রশাসনের তরফে এই গ্রামটিকে মর্যাদা দেওয়া হয়। বর্তমানে এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয়।