রাত দখলের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কার্যত দ্বিবিভক্ত তৃণমূল। একদিকে, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ যখন এই অভিযানকে বাম-বিজেপির 'নাটক' বলে কটাক্ষ করছেন, সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বা লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র এই কর্মসূচিকে সমর্থন করছেন।
বন দফতরের এক মহিলা রেঞ্জ অফিসারকে অপমান করার অপরাধে অখিল গিরিকে কারামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করল তৃণমূল। আর দলের নির্দেশ মতোই পদত্যাগ করলেন অখিল। ১৩ বছরের তৃণমূল শাসনকালে বেনজির সিদ্ধান্ত। প্রথমবারের জন্য মন্ত্রীসভা থেকে কোনও মন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দিল শাসক দল।
শনিবার দুপুর থেকে শিরোনামে অখিল গিরি! ২৪ ঘন্টার মধ্যে অ্যাকশন নিল তৃণমূল কংগ্রেস। ১৩ বছরের শাসনকালে প্রথমবারের জন্য কোনও মন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দিল শাসক দল। রবিবার অখিল গিরি জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি কারামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেবেন করবেন এবং ইতিমধ্যেই তিনি চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন।
অখিল নিজের বক্তব্যের সাফাই দিয়ে বলেছেন, "সমুদ্রে জলস্তর বেড়েছে। এটা পর্যটন এলাকা। আগে এখানের দোকানদারেরা আরও সামনে বালির ওপর ব্যবসা করত। এখন জল বাড়ায় কিছুটা পিছিয়ে এসেছে। কাল রাতে কাউকে না জানিয়ে বন দফতরের কয়েকজন এসে এই দোকানগুলো ভেঙে দিয়েছে। রুটি-রুজির জন্য এখানে ব্যবসা করেন তাঁরা। এভাবে না বিওলে তুলে দিলে কী করে হবে!"
শমীক ভট্টাচার্যকে রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ কংগ্রেস এবং তৃণমূল। রাজ্যসভার স্পিকারের কাছে শমীককে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে সরব হলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এখন আগামী দিনে শমীক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেয় সংসদীয় কমিটি তা অবশ্য সময় বলবে।
তৃণমূলের সঙ্গে একই পথে চলতে নারাজ দুই শতাব্দী প্রাচীন দল। একই অবস্থান রাজ্যের শাসক দলেরও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসকে দু'টি আসন 'অফার' করলেও বামেদের সঙ্গে 'আপোষ' করতে সরাসরি 'না' বলে দেন। যুক্তি ছিল, ৩৪ বছরের যে অপশাসনের পতন হয়েছে তাঁর হাত ধরে তাঁদের সঙ্গে আবার ঐক্যতা কিসের!