জেল থেকে মুক্তি পেয়েও রেহাই নেই, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার জীবনকৃষ্ণকে তলব ইডির!

নিয়োগ মামলায় মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার নাম আগেই জড়িয়েছিল। গত বছর সিবিআই গ্রেফতারও করে তাঁকে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নিয়োগ মামলায় মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার নাম আগেই জড়িয়েছিল। গত বছর সিবিআই গ্রেফতারও করে তাঁকে। তবে বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন জীবনকৃষ্ণ। কিন্তু, জেল থেকে মুক্তি পেয়েও রেহাই নেই। এবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির স্ক্যানারে জীবনকৃষ্ণ। সোমবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছে ইডি।

গত বছর ১৪ এপ্রিল প্রথমবার জীবনকৃষ্ণের কান্দির বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। সেবার টানা ৭২ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। তৃণমূল বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদও করেন তাঁরা। অভিযোগ, সেই জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশির ফাঁকে তাঁর ব্যবহার করা দু’টি মোবাইল ফোন বাড়ির পিছনে পুকুরের জলে ফেলে দিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ! এর পর ১৭ এপ্রিল মধ্যরাতে কলকাতা থেকে সিবিআইয়ের আরও একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে জীবনকৃষ্ণের কান্দির বাড়িতে পৌঁছয়। গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

দীর্ঘ ১৩ মাস জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে জামিন পান বড়ঞার বিধায়ক। আর এবার তার ফের একই মামলায় ইডি ডেকে পাঠাল তাঁকে। নিয়োগ মামলায় প্রসন্ন রায় এবং শান্তিপ্রসাদ সিংহকেও ইডি গ্রেফতার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে জীবনকৃষ্ণের স্ত্রী টগরী সাহাকেও। সূত্রের খবর, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তেই জীবনকৃষ্ণকে ডেকে পাঠিয়েছে ইডি।

যদিও ইডি তলবের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জীবনকৃষ্ণ। তৃণমূল বিধায়কের সাফ কথা, “আমার কাছে হাজিরার কোনও নোটিস নেই। হাজিরার কোনও খবরও নেই।” এখন, সোমবার জীবনকৃষ্ণ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে হাজিরা দেন কিনা সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত