যারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করে নবান্ন অভিযান করেছিলেন তাদের সাহস থাকলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে গিয়ে ধর্ষণবিরোধী আইন আনার দাবি জানান।
তাই আজকে বিজেপি মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন। এবং সে কারণে ই একটি পরিত্যক্ত শব্দ 'বাংলা বন্ধ' ডাকলেন। যেটা প্রায় দুদশক ধরে বাংলার মানুষ ভুলে গেছে। আগামীকাল সেই বন্ধ সফল হতে দেবেনা সাধারণ মানুষ
সেই সঙ্গে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির দিন সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী মামলা হবে ২২ সে অগাস্ট বৃহস্পতিবার। তবে ২২ অগাস্টের মধ্যেই সিবিআই এই মামলায় স্টেটাস রিপোর্ট দেবে সুপ্রিম কোর্টকে।
স্বাস্থ্য প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সাধারণ প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবেই একের পর এক ভুল পদক্ষেপ হয়েছে। তাতে সরকার ও দল সম্পর্কে জনমানসে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।’’ মধ্য রাতে হাসপাতালে দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সময় পুলিশের ভূমিকায় নিয়েও দলের অন্দরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিষেক।
আরজি কর ইস্যুতে প্রথম থেকেই রাজ্য সরকারের পক্ষেই বয়ান দিচ্ছিলেন শান্তনু। কিন্তু, বুধবার তিনি বলেন, আরজি কর ইস্যু নিয়ে তিনি আর বক্তব্য রাখবেন না। কারণ, তাঁর ধারণা, চিকিৎসক মহল মনে করছে তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে এবং দলের তরফেও নাকি শান্তনুর মন্তব্যকে সমর্থন করা হয়নি।
মমতা বলেছেন, ‘‘১৭ তারিখ থেকে সারা বাংলায়, সব ব্লক, সব ওয়ার্ডে ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত বাম-রামের চক্রান্তের বিরুদ্ধে মিছিল এবং আন্দোলন হবে। ১৮ তারিখ ধর্না হবে ব্লকে ব্লকে। ১৯ তারিখে রাখি। ২০ তারিখে আবার পথে নামব আমরা।’’