আরজিকর কাণ্ডে ময়দানে নেমে পড়ছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দোষীদের ফাঁসি চেয়েছেন। ধর্মতলায় মিছিল করেছেন। নিজেদের অবস্থায় স্পষ্ট করে দিয়ে বলেছেন, আমারও দোষীদের ফাঁসি চাই। কিন্তু আরজিকরের এমার্জেন্সি ভাঙল কে? কারা প্রায় ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি করল? দলের সক্রিয়তা নিয়ে অভিষেককে উদ্দেশ্য করে এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। এক্স হ্য়ান্ডেলে দেওয়া এক বার্তা কুণাল ঘোষ লিখেছেন, আমরাও প্রতিবাদী। দোষী বা দোষীদের ফাঁসি চাই। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ও বাংলা বিরুদ্ধে শকুনের রাজনীতি করছে বামরাম।
জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব রুখে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেনাপতি অভিষেককেও সক্রিয়ভাবে সামনে চাই। আমাদেরও কিছু ভুল শুধরে সঠিক পদক্ষেপে সব চক্রান্ত ভাঙতেই হবে। কিন্তু কান এই ঘটনা নিয়ে দূরত্ব বজায় রাখছেন অভিষেক? দলীয় সূত্রে খবর, সরকারের একের পর এক ভুল পদক্ষেপ নিয়ে দলের অন্দরে চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মনে করছেন, প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে বদল ছাড়া দল ও সরকারের পক্ষে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন।


আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরেও তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় গত সাত দিন প্রশাসন যে ভাবে এগিয়েছে, তা নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে চূড়ান্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর থেকে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কাজে চূড়ান্ত গাফিলতি চিহ্নিত করে আপাতত এ সব থেকে দূরে থাকারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দলিয়ো সূত্রে আরও খবর, দলে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এক নেতার কথায়, ‘‘সাধারণ সম্পাদক মনে করছেন, স্বাস্থ্য প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সাধারণ প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবেই একের পর এক ভুল পদক্ষেপ হয়েছে। তাতে সরকার ও দল সম্পর্কে জনমানসে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।’’ মধ্য রাতে হাসপাতালে দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সময় পুলিশের ভূমিকায় নিয়েও দলের অন্দরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিষেক।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



