নবান্ন অভিযানকে ঘিরে পুলিশের লাঠির আঘাত, ছোঁড়া হয় জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের সেল। আর এই কারণে আগামীকাল বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন্ধ ডাকল বিজেপি। এই নিয়ে এবার কটাক্ষ করলেন তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন,”পুজোর আগে বনধ ডেকে রাজ্যের অর্থনীতির ক্ষতি করার চক্রান্ত হচ্ছে।” এছাড়াও ব্রাত্য বসুর দাবি, আগামীকাল সেই বন্ধ সফল হতে দেবেনা সাধারণ মানুষ।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও বলেন, “আগামীকাল একটা ১২ ঘন্টার বন্ধ ডেকে দেওয়া হল ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে। পুজোর আগে বনধ ডেকে রাজ্যের অর্থনীতির ক্ষতি করার চক্রান্ত হচ্ছে।” অভিযোগ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের। প্ররোচনামূলক রাজনীতির চেষ্টা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, “আন্দোলন নামে পুলিশকে আক্রমণ করেছে। ছাত্র আন্দোলনের নামে প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। আরেকটা ধর্মঘট ডেকে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা। কর্মসূচির নামে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা ।ওদের চাহিদা ছিল জীবন্ত লাশ, পুলিশ প্ররোচনায় পা দেয়নি’ তাই আবার একটা বন্ধ ডাকা হলো।” মন্তব্য চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।


পাশাপাশি ব্রাত্য বসু বলেন,” আজকের মিছিলে ছাত্র নামধারী অনেকেই ছিলেন, ছাত্র প্রায় ছিল না বললেই চলে । গোটা ভারতবর্ষ যেখানে সবাই বিচার চাইছে, সেই বিচার না চেয়ে ওরা গেলেন মৃতদেহ চাইতে। পুলিশকে আক্রমণ করলেন কিন্তু পুলিশ তাসত্ত্বেও যেভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে এই আন্দোলনকে আটকালেন তা অতুলনীয়। তাই আজকে বিজেপি মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন। এবং সে কারণে ই একটি পরিত্যক্ত শব্দ ‘বাংলা বন্ধ’ ডাকলেন। যেটা প্রায় দুদশক ধরে বাংলার মানুষ ভুলে গেছে। আগামীকাল সেই বন্ধ সফল হতে দেবেনা সাধারণ মানুষ”
এরপর পাল্টা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন,”নবান্নতে ছাত্র সমাজের যাওয়ার দরকার নেই ব্রাত্য বসুই ওখানে যাবেন। তার কারণ শিক্ষা দপ্তরের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। পার্থ দা যেখানে ব্রাত্য বসু সেখানে।”
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



