মেয়েদের রাত দখল অভিযানকে কেন্দ্র করে দ্বিবিভক্ত তৃণমূল

স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে কলকাতার রাজপথে নামতে চলেছেন মেয়েরা। আরজি করের ঘটনা এবং নারী স্বাধীনতার দাবিতেই এই অভিযান।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে কলকাতার রাজপথে নামতে চলেছেন মেয়েরা। আরজি করের ঘটনা এবং নারী স্বাধীনতার দাবিতেই এই অভিযান। রাত দখলের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কার্যত দ্বিবিভক্ত তৃণমূল। একদিকে, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ যখন এই অভিযানকে বাম-বিজেপির ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করছেন, সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বা লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র এই কর্মসূচিকে সমর্থন করছেন।

সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছেন,“আজ বিকেল পাঁচটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত ধরনায় বসব। যাদবপুরে একটা কর্মসূচি হচ্ছে। আমি অসুস্থ আমি সারা রাত থাকতে পারব না। তাছাড়া আমি ওখানে গেলে কেউ ভাবতে পারে আমি নাম কিনতে এসেছি।” মহুয়া মৈত্র দোষীদের চরমতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে নিন্দা জানালেও কুণাল এই রাত দখলকে সমর্থন করছেন না।

কুণাল বলেছেন, “রাত দখলের ডাক যারা দিয়েছেন কারা কোন দলের সদস্য? গোটা ভারতের সামনে বাংলাকে বদনাম করতে চাইছেন তাঁরা। এতে সিপিআইএম এবং বিজেপির মদত রয়েছে। কে বলেছে রাতে মহিলারা সেফ নয়? বাংলায় কি রাতে কোনও মহিলা কাজ করেন না? একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। সেটাকে কেন্দ্র করে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা সেটার বিরোধিতা করছি। এই ঘটনাকে আমরা সমর্থন করি না। আমরাও প্রতিবাদ জানাই।”

সমাজমাধ্যমে কুণাল লিখেছেন, “বানতলায় ধর্ষিত ও খুন ডাঃ অনিতা দেওয়ানের বাড়ির সামনে থেকে ধর্ণা ও সভা, মিছিল করে আরজি কর ঘটনার নিন্দা ও আসল দোষীদের শাস্তি দাবি। বানতলায় স্থানীয় কয়েকজনকে ধরে আসল সিপিএম নেতা, কর্মীদের বাঁচানো হয়েছিল।
আমাদের সাফ কথা, আরজিকর ইস্যুতে প্রতিবাদ হবেই। ফাঁসি হোক দোষীদের। মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক কড়া অবস্থান নিয়েছেন। আমরা সবাই প্রতিবাদী। কিন্তু সিপিএম, বিজেপির চক্রান্ত করা রাজনৈতিক ইভেন্ট বরদাস্ত করব না। ওদের জমানার পরের পর অপকীর্তি মনে করাব।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত