আবার মোদি তাঁর সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ''৪ জুন ভোটের ফল প্রকাশের পর শেয়ার বাজারে এমন তেজ আসবে যে তাদের সব প্রোগ্রামিং ফেল করে যাবে।'' এবার দেখার তৃণমূলের এই আবেদনে সেবি কি পদক্ষেপ নেয়।
এভাবে চলতে পারে না। দুই নৌকায় পা দিয়ে চলব আবার দলের বিভিন্ন পদ সামলাব সেটা হয় না’। উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী প্রায়ই দাবি করেছেন, যে তৃণমূলের মধ্যে এখনও তাঁর লোক রয়েছে। কার্যত সেই সুর শোনা গেল দেবাংশুর গলায়।
সন্দেশখালির তিনজন তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের কি এবার দলে ফেরানো হবে? শনিবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এ বিষয়ে ওয়ার্কিং কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। ওঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আগে আরেকটু যাচাই করে নিলে ভালো হতো।“
তৃণমূলের ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি। এমনকি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য কেও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি, অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায়।
চলতি বছরের শুরুতেই দেবের রাজনীতি ছাড়া নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছিল। সংসদে দাঁড়িয়ে শেষ বক্তব্যও দিয়েছিলেন। দশ বছর সাংসদ থাকার পরও ঘাটালের মানুষের জন্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের স্বপ্ন পূরণ করতে না পারার আক্ষেপ ছিল তাঁর মধ্যে।
তিনি বলেন, ‘‘আমরা কেন ‘আয়ুষ্মান ভারত’ করব? আমাদের তো ‘স্বাস্থ্যসাথী’ আছে। আমাদের এই প্রকল্পে রাজ্যের ৯কোটি মানুষ সাহায্য পান। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ সকলের জন্য নয়। ওই প্রকল্পে সুবিধা হবে এক কোটি মানুষের। তা হলে আমি কেন ওটা করতে দেব? বাকি ৮ কোটি মানুষ কোথায় যাবেন?’’
তৃণমূলের কর্মীরাই ওঁকে দেখতে পান না। তৃমূলের জনপ্রতিনিধিরাও ওঁকে দেখতে পান না। তিনি ৫ বছরে কলকাতা উত্তর নিয়ে সংসদে একটা প্রশ্ন করতেও সময় পান না। আবার তিনিই জাহির করেন আমি সাংসদ। উত্তর কলকাতার মানুষের কাছে ওঁর ভোট চাওয়ার কোনও অধিকার আছে?”