এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতির ময়দানে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ একেবারে সত্যি এবং তিনি দোষী। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং শাসকদল অর্জুন সিংহকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
দিলীপ ঘোষের বক্তব্য ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির দ্বন্দ্ব আরও চরমে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে আগামী নির্বাচনের আগে এই ধরনের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে, বলে মনে করা হচ্ছে। এবার দেখার বিষয়, এই বিতর্ক রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে!
বিজেপি নিজেদের হিন্দু ভোটের সমর্থন বাড়াতে চাইছে, আর তৃণমূল বিজেপিকে ধর্মীয় মেরুকরণের জন্য দায়ী করছে। ২০২৬ সালের ভোটের আগে এই রাজনৈতিক সংঘাত কতটা গভীর হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক চরমে। বিজেপি দাবি করেছে, এটি তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনার জন্য বিজেপির নেতাদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে।
উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটে জন বার্লাকে টিকিট দেয়নি বিজেপি। তার জায়গায় প্রার্থী করা হয় মনোজ টিগ্গাকে। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারছিলেন না বার্লা । তাঁর পারফম্যান্স রিপোর্ট অত্যান্ত খারাপ ছিল। তাই তৎপর রাজনৈতিক নেতা হিসাবে মনোজ টিগ্গাকে টিকিট দেওয়া হয়েছে।
অমিত শাহের মত পারদর্শী নেতা, হেমন্ত বিশ্ব শর্মার মত বড় ভাই আমি এই দলে পেয়েছি। সেখানে দল বদলের কোন প্রশ্নই নেই। আমার রাজ্য নেতৃত্বরা একসাথে আছেন। তাই আমার সংবাদ মাধ্যমের বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ প্রোপাগান্ডা ছড়াবেন না। সত্যি ও সঠিক খবর পরিবেশন করুন "।