পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক নির্বাচনে বিপুল জয় পেল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির সন্ত্রাস উপেক্ষা করেই সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, এমনটাই দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পাশাপাশি, দীর্ঘ ২৩ বছরের ‘অধিকারী জমানার’ অবসান হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
শনিবার কাঁথি কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন সমবায় ব্যাঙ্কের ১১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ৭৮টি আসনের মধ্যে ১৮টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা। বাকি ৬০টি আসনে ভোটগ্রহণ পর্বেও ছিল উত্তেজনা। রামনগর কলেজ চত্বরে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরি।
তৃণমূলের দাবি, বিজেপি ভোটারদের ভয় দেখিয়ে লাভের আশায় ছিল, কিন্তু মানুষের সমর্থন যে তৃণমূলের দিকেই, তা ফের প্রমাণিত হলো। কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরি বলেন, “বিজেপির জনভিত্তি নেই। ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে নানা অভিযোগ তুলছে। কিন্তু মানুষ তৃণমূলের সাথেই রয়েছেন।”
তবে বিজেপি পালটা অভিযোগ তুলেছে যে, তৃণমূলের ‘সন্ত্রাস’ ও কারচুপির জেরে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়নি। বিজেপি নেতা সোমনাথ রায়ের অভিযোগ, “ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে, মানুষ ভোট দিতে পারেননি।”
তৃণমূলের জয়ের পর কাঁথির রাস্তায় আবির উৎসব শুরু হয়। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, “কাঁথিতে অধিকারী মিথ ভেঙে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।”



