সন্দেশখালির ঘটনায় বিগত কয়েক মাস ধরেই উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এখনও নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতাদের কর্তৃক জমি-ভেড়ি দখলের তদন্ত করছে সিবিআই। কলকাতা হাই কোর্টে চলছে মামলা। মাঝে একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র। ইতিমধ্যেই জেলে গিয়েছেন দাপুটে নেতা শেখ শাহজাহান ও তাঁর অনুগামীরা।
আরও পড়ুন: ভিডিও টি আমার হলেও গলা আমার নয়! দাবি বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধরের

এরই মধ্যে একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রকাশ্যে আনল তৃণমূল। তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিজেপিকে বিপাকে ফেললেন। সেই ভিডিও প্রসঙ্গে এবার চাঁচাছোলা ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বললেন,
“গত ১০০ দিন ধরে শুধুই সন্দেশখালি সন্দেশখালি করছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখে আর কোনও কথা নেই। আজ সব প্রমান হয়ে গেল। নিম্ন মানের রাজনীতি করে বাংলার বদনাম করল বিজেপি। আমি অবাক। মিথ্যে ভাবে আন্দোলনকে দাঁড় করানো যায় না।”

বিজেপির টাকা দিয়ে সন্দেশখালি ইস্যু জিইয়ে রাখতে চাইছে বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “প্রতিটি বুথে ৫ হাজার টাকার মদ খরচ করেছে। তাহলে তো নির্বাচনে বিজেপির মদের বাজেটই তো ৪০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াবে।“
কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে ভয় দেখানোর গেরুয়া রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিয়ে অভিষেক বলেন, “আমাদের দলের সবাইকে জেলে পুরে দিলেও বাংলা মাথা নত করবে না।“ এদিন স্টিং অপারেশনের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর অভিষেকের হুঁশিয়ারি, “এরপর বিজেপি নেতারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি ক্ষমা না চান, তাহলে ধরে নিতে হবে, তাঁদের অঙ্গুলিহেলনেই যাবতীয় ষড়যন্ত্র হয়েছে”।
সার্জিকাল স্ট্রাইক অভিষেকের, সন্দেশখালির নেতাদের দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেবে তৃণমূলের কোর কমিটি

সন্দেশখালির তিনজন তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের কি এবার দলে ফেরানো হবে? শনিবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এ বিষয়ে ওয়ার্কিং কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। ওঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আগে আরেকটু যাচাই করে নিলে ভালো হতো।“



