নিয়োগ দুর্নীতিতে এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য সহ একাধিক ব্যক্তিদের গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বহু ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে চাঞ্চল্যকর মোড়। এই প্রথমবার ইডি দফতরে পৌঁছলেন রত্না। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ হাজিরা দিলেন তিনি।
নিয়োগ দুর্নীতিতে বিরাট অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার সল্টলেকে একটি আবাসনে শুরু হয়েছে ইডির অভিযান। সূত্রের খবর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অ্যাকাউন্টস বিভাগে চাকরি করতেন। নিয়োগ দুর্নীতিতে একাধিক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ব্যক্তির হদিশ পায় ইডি। এমনটাই সূত্রে খবর।
চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, পুলিশের তরফে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল, ২৭ ও ২৮ তারিখ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সফরের কারণে তাঁদের অবস্থান বিক্ষোভে বসা যাবে না। তাই দুই দিন তাঁরা উপস্থিত ছিলেন না। বুধবার থেকে আবার শুরু হয়েছে অবস্থান। তাঁদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী ধর্নায় বসতে পারলে তাঁরা কেন নয়?
হয় ছাড়ুন নয়তো এমন একটা অর্ডার দিন যাতে আর ঘুম না ভাঙে। মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কাছে জামিন চেয়ে এমনটাই আবেদন জানালেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। তবে সবটা নিজে মুখে বলেননি।