নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে ৩০ ঘন্টা ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে কিছুদূরেই লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি জারি রেখেছিলেন নিয়োগ দুর্নীতির জেরে বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা। গত ২৫ মার্চ পুলিশের তরফে মৌখিকভাবে ধর্না তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতির রাজ্য সফরের কারণে ২৭ ও ২৮ তারিখ তাঁরা সভামঞ্চে উপস্থিত হননি। ২৯ তারিখ থেকে ফের ধর্নায় বসেছেন প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীরা।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: আরও চার মাস জেলে থাকতে হবে কেষ্টকে, পিছিয়ে গেল জামিনের শুনানি

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, পুলিশের তরফে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল, ২৭ ও ২৮ তারিখ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সফরের কারণে তাঁদের অবস্থান বিক্ষোভে বসা যাবে না। তাই দুই দিন তাঁরা উপস্থিত ছিলেন না। বুধবার থেকে আবার শুরু হয়েছে অবস্থান। তাঁদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী ধর্নায় বসতে পারলে তাঁরা কেন নয়?

যোগ্য হয়েও সরকারের গাফিলতির কারণে বঞ্চনার শিকার। ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশে বহুজনের চাকরি গেছে। তাই সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে দীর্ঘ অবস্থান বিক্ষোভ জারি রেখেছিলেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, নম্বর কারচুপি করে বহু ভুয় নিয়োগ করা হয়েছে। এখন আদালতের নির্দেশে তা প্রমাণিত। তাই যতদিন না সরকার তাঁদের নিয়ে সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করবেন, ততদিন আন্দোলন জারি থাকবে। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী ধর্নায় বসতে পারলে তাঁরা কেন নয়? প্রশ্ন চাকরি প্রার্থীদের

অন্যদিকে, এদিনেই শহিদ মিনারের কাছে সভা ডাক হয়েছে তৃণমূলের ছাত্র ও যুব নেতৃত্বের তরফে। সেখানে বক্তব্য রাখবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে চলছে ডিএ আন্দোলনকারীদের ধর্না। টানা ৬২ দিন ধরে অবস্থান জারি রেখেছেন তাঁরা। আদালতের নির্দেশে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। টিনের অস্থায়ী পাঁচিল তোলা হয়েছে। প্রায় ৩০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে ধর্নামঞ্চের কাছে। বুধবার ডার্ক চকোলেট ও জুস খেয়ে অভিনব অনশন শুরু করেছেন তাঁরা। আগামীকাল বিরাট কর্মসূচি রয়েছে ডিএ আন্দোলনকারীদের তরফে।



