নজরবন্দি ব্যুরোঃ আদালতের নির্দেশে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত করছে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল। এবার সিটের সদস্যপদ থেকে স্বেচ্ছাবসর চাইছেন সিবিআই সিটের প্রধান ধরমবীর সিং। শুক্রবার বিষয়টি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে তুলে ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপরেই বিরাট পদক্ষেপ নিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।


সিবিআইয়ের সুপার পদমর্যাদায় রয়েছেন ধরমবীর সিং। স্বেচ্ছাবসর নিতে চেয়ে সিবিআইয়ের কাছে জানাতেই আদালতের দ্বারস্থ হয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, যেহেতু আদালত এই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে দিয়েছে, তাই আদালতের অনুমতি ছাড়া সিটের সদস্য ধরমবীর সিংহের স্বেচ্ছাবসরের আবেদনে সাড়া দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
বিষয়টি শোনার পর খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সিবিআইয়ের তদন্তকারী সিটে কিছু বাংলাভাষী আধিকারিককেও রাখা যায় কি না, সেই বিষয়টি নিয়েও ভাবছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। অর্থাৎ সিবিআইয়ের সিটে আরও কিছু বদল আনতে চান বিচারপতি।

উল্লেখ্য, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই মুহুর্তে তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্তের জন্য বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে আদালতের নির্দেশে। কিন্তু সিবিআইয়ের কার্যপদ্ধতি নিয়ে বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। চলতি বছরেই সিবিআইয়ের সিটে বড় আনেন তিনি। সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার সোমনাথ বিশ্বাসকে সরিয়ে দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। জানিয়ে দেনন, ওই অফিসার আর কোনও ফাইল স্পর্শ করতে পারবেন না। পরিবর্তে বিষয়টি ডিআইজি পদমর্যাদার কোনও অফিসারকেই দেখতে হবে। মামলার গতিপ্রকৃতি নিয়ে পদক্ষেপ করবেন ডিআইজি।


স্বেচ্ছাবসর চাইছেন সিবিআই সিটের প্রধান, বিরাট বদল আনতে চান বিচারপতি

সিবিআইয়ের সিটে রাখা হয়েছিল ধরমবীর সিংহ, সত্যেন্দ্র সিংহ, কেসি ঋষিনামূল, সোমনাথ বিশ্বাস, মলয় দাস এবং ইমরান আশিককে। এর আগে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআইয়ের সিট থেকে বাদ দেন কেসি ঋষিনামূল এবং ইমরানদের। পরে সোমনাথ বিশ্বাসকেও সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি।







