নজরবন্দি ব্যুরোঃ হয় ছাড়ুন নয়তো এমন একটা অর্ডার দিন যাতে আর ঘুম না ভাঙে। মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কাছে জামিন চেয়ে এমনটাই আবেদন জানালেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। তবে সবটা নিজে মুখে বলেননি। কিছুটা ইশারাতেও বুঝিয়ে দিয়েছেন পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক। যা একেবারেই বুঝতে অসুবিধা হওয়ার নয়।


নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত চার মাস ধরে জেলে রয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে ভার্চুয়ালি পেশ করা হয়। সেখানেই মানিক বিচারককে বলেন, এমন একটা অর্ডার দিন যাতে শান্তিতে ঘুমোতে পারি। আর না হলে এমন একটা অর্ডার দিন, যাতে আর ঘুম না ভাঙে।

এদিন তৃণমূল বিধায়ককে বলতে শোনা যায়, মাই লর্ড আমি মুক্তি চাই। আমার কিছু বলার আছে। গোটা পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থা দু’ভাগে বিভক্ত। একটি প্রাথমিক, আর একটি একটি উচ্চ প্রাথমিক। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদে ১ থেকে ৫ পর্যন্ত পড়ানো হয়। ৬ থেকে ১২ পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের অন্তর্ভুক্ত। অথচ আমার বিরুদ্ধে ১০০০ পাতার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। সেখানে আমার নাম রয়েছে তার পুরোটাই নবম-দশম অবং অশিক্ষক কর্মচারীদের নিয়োগের সঙ্গে জড়িত। তাহলে আমি কী করে এখানে এলাম। প্রাথমিকে অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের কোনও ব্যবস্থা নেই। তাহলে আমি কীভাবে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত হলাম?
ছাড়ুন নয়তো এমন একটা অর্ডার দিন যাতে আর ঘুম না ভাঙে, মন্তব্য মানিকের

নিজের গ্রেফতারি নিয়ে আদালতকে মানিক বলেন, স্যার হয় আমাকে ছেড়ে দিন না হলে এমন একটা অর্ডার দিন যাতে আজ রাতে ঘুমলে কাল সকালে যেন আমার চোখ না খোলে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমি রাজ্য ছেড়ে যাব না। যদি যেতেই হয়, তাহলে একেবারে… বলেই উপরের দিকে ইশারা করেন।









