Justice Avijit Ganguly: মিথ্যে বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের, বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে প্রচুর সংখ্যক বেআইনি নিয়োগ করা হয়েছে, তাতে প্যানেল বাতিল করা ছাড়া উপায় নেই। মামলাকারীদের তরফে এই কথা শুনেই বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ঠগ বাছতে গেলে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। এত পরিমাণে দুর্নীতি হয়েছে যে একেবারে সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছি। নদী সমুদ্রে মিশে গেছে। সেখান থেকে মানিককে বেছে আনতে হবে। একইসঙ্গে জানালেন, মিথে বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের।

আরও পড়ুনঃ Alia Bhat: বাবার পরকীয়া কে সমর্থন, নিজেও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হতে চান রনবীর ঘরণী!

এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, যদি সকলের চাকরি বাতিল করে দেওয়া হয়, তাহলে যারা যোগ্য, তাঁদের কী হবে। সেই সময় আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ন্যায্যদের চিহ্নিত করা যাবে কী করে? ওএমআর শিট তো নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তখনই বিচারপতি বলেন, দুর্নীতির সমুদ্রে আপনারা সাহায্য করছেন। তার পরও আমি হাবুডুবু খাচ্ছি। এ তো মহাসমুদ্র। দুর্নীতির মহাসমুদ্র। এই অবস্থায় ঠগ বাছতে তো গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। বিস্তারিত শুনানির প্রয়জন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Calcutta highcourt 19
মিথ্যে বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের, মন্তব্য করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ সালে নিয়োগ হয়েছিল। সেবার ২০১২ সালের টেটের জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। যার বরাত পেয়েছিল এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি। সিবিআইয়ের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি এবং নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি মানিক ভট্টাচার্য।

apply online for ctet
মিথ্যে বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের, মন্তব্য করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

এপ্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সিবিআইয়ের রিপোর্ট একেবারে অসন্তোষজনক। মানিক ভট্টাচার্যের মিথ্যা বলার অভ্যাস রয়েছে। এর থেকে তো আমি ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করি। হাই কোর্টের অনেক আইনজীবীও এর থেকে ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তদন্ত শেষ করতে হবে তো। এটা কোন জিজ্ঞাসাবাদ? প্রশ্ন বিচারপতির।

মিথ্যে বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের, মন্তব্য করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

1 42
মিথ্যে বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের, মন্তব্য করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

তিনি আরও বলেন, যার ভিত্তিতে ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে সংগঠিত হওয়া ২০১৬ র নিয়োগপ্রক্রিয়া খারিজ করে দেওয়া যায়। তা করলে বৈধরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সেটা ভালো লাগবে না। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, এখনও এই দুর্নীতিকে ঢাকতে কিছু দালাল বাজার ঘুরে বেড়াচ্ছে। সরকারের শিক্ষা দফতর এই দুর্নীতি দেখেও কী ভাবে চোখ বন্ধ করে রাখল, সেটা ভেবে আমি অবাক।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত