Justice Avijit Ganguly: টেটের সংশাপত্র প্রকাশে কেন অর্থনৈতিক রীতিনীতির দোহাই? প্রশ্ন তুলে পর্ষদ সভাপতিকে ভৎসনা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে একাধিকবার পর্ষদের দিকে প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রাথমিকের একটি মামলায় আরও একবার বর্তমান পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালকে সাবধান করলেন। কার্যত ভৎসনার সুরেই বললেন, মানিক ভট্টাচার্যের রেখে যাওয়া জুতোয় পা গলাবেন না। তাতে সম্মতি প্রকাশ করেন পর্ষদ সভাপতি। একইসঙ্গে টেটের সংশাপত্র প্রকাশে কেন অর্থনৈতিক রীতিনীতির দোহাই? প্রশ্ন তুলে পর্ষদ সভাপতিকে তীব্র ভৎসনা করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ Jishu Sengupta: বিলাসবহুল ফ্যাশন শোতে একমাত্র বাঙালি মডেল হয়ে র‍্যাম্পে ছোট্ট উমা , আবেগপ্রবন সৃজিত

শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে চলছিল ২০১৪ সালের টেট শংসাপত্র সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি। উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বর্তমান সভাপতি গৌতম পাল। সেখানেই তাঁকে ২০২২ সালের টেট সংশাপত্রের প্রকাশ নিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তার উত্তরে পর্ষদ সভাপতি বলেন, আর্থিক কিছু সমস্যার কারণে এতদিন পরীক্ষার্থীদের সংশাপত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে তা দেওয়া হবে।

Calcutta highcourt 20
টেটের সংশাপত্র প্রকাশে কেন অর্থনৈতিক রীতিনীতির দোহাই? প্রশ্ন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

এরপরেই কার্যত ক্ষোভের সুরে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আমার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাতারাতি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সময় টাকা থাকে, আইনজীবীদের পিছনে ৩০ লাখ টাকা খরচ করার সময় অসুবিধা হয় না, অথচ টেটের শংসাপত্র দেওয়ার সময় অর্থনৈতিক রীতিনীতির দোহাই দেওয়া হয়! একইসঙ্গে আবার দুর্নীতি নিয়ে সাবধান করলেন বর্তমান পর্ষদ সভাপতিকে।

কারণ, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বুধবার ইডির জেরা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি জানান, মানিক ভট্টাচার্যের মিথ্যা বলার অভ্যাস রয়েছে। এর থেকে তো আমি ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করি। হাই কোর্টের অনেক আইনজীবীও এর থেকে ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তদন্ত শেষ করতে হবে তো। এটা কোন জিজ্ঞাসাবাদ? প্রশ্ন বিচারপতির।

টেটের সংশাপত্র প্রকাশে কেন অর্থনৈতিক রীতিনীতির দোহাই? প্রশ্ন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

1 45
টেটের সংশাপত্র প্রকাশে কেন অর্থনৈতিক রীতিনীতির দোহাই? প্রশ্ন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

এছাড়াও নিয়োপগ দুর্নীতি দেখে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য ছিল, বিচারপতি বলেন, দুর্নীতির সমুদ্রে আপনারা সাহায্য করছেন। তার পরও আমি হাবুডুবু খাচ্ছি। এ তো মহাসমুদ্র। দুর্নীতির মহাসমুদ্র। এই অবস্থায় ঠগ বাছতে তো গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। বিস্তারিত শুনানির প্রয়জন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত