নিয়োগ দুর্নীতিতে জুলাই মাস থেকে জেলে বন্দী রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জামিন কবে পাবেন? তা নিয়ে এখনও সংশয় দূর হচ্ছে না। এরই মধ্যে সোমবার ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেল তাঁকে। আদালতে প্রবেশের মুখে রবী বন্দনায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সোনার তরী কবিতার দুই লাইন শোনালেন। যেখানে তাঁর জীবনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীর সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে মামলা চলে যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। সোমবার প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। এদিনেই সিবিআইয়ের সিটের মাথা থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ধরমবীরকে। নতুন দায়িত্ব পেলেন কল্যাণ। এবার থেকে নিয়োগ দুর্নীতি করবেন বাঙালি অফিসার। নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে Justice Avijit Ganguly –র বেঞ্চ থেকে স্থানান্তর হয়েছে দুটি মামলা। কয়েকদিন আগেই দুটি মামলার ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের অফিস। এবার সেই দুটি মামলা পাঠানো হল বিচারপপ্তি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। অর্থাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম সৌমেন নন্দী এবং অপরটি কুন্তল ঘোষ বনাম পশ্চিমবঙ্গ সরকার মামলা দুটি এবার থেকে শুনবেন তিনি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৯১১ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি ওই শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের পরামর্শ দেন তিনি। এজন্য ওয়েটিং লিস্ট থেকে অপেক্ষারত চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগের নির্দেশ দেন তিনি।
গ্রুপ সি পদে অযোগ্যদের চাকরি দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছিলেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। সেই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। সোমবার অপরূপার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করল না হাইকোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, মামলাকারী কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা বঞ্চনার শিকার হননি। তাই এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।
রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত দুটি মামলা এই মুহুর্তে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তার মধ্যে একটি মামলা রয়েছে কুন্তল ঘোষের মামলা। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে সরল মামলা, যা নিয়ে শনিবার আদালতে প্রবেশের মুখে কিছু বললেন না কুন্তল ঘোষ।