এই অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া চাকরি প্রার্থীদের বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলছে। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে আর কত দিন ধরে অপেক্ষা করতে হবে? প্রশ্ন তুলছেন চাকরি প্রার্থীরা।
তিনি বলেন, কে রটাচ্ছে আমি ইস্তফা দিচ্ছি। এটা ভুল রটনা হচ্ছে। আমি যে লড়াই শুরু করেছি, তার শেষ দেখে ছাড়ব। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিকবার কড়া পর্যবেক্ষণ করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কার্যত আবেগপ্রবণ হয়েই বলেন, মার বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতির কাছে বেশ কিছু আইনজীবী ভুল বোঝাচ্ছেন।
নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে তাপসের নাম করেই টাকা নিয়েছেন তিনি। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন প্রবীর। তাঁর বক্তব্য, আমাকে ফাঁসিয়েছে দুর্নীতি দমন শাখা। জোর করে মুখ থেকে বলিয়ে নিয়েছে রাজ্য পুলিশ।
নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে জর্জরিত শাসক দল তৃণমূল। লাগাতার ধর্না ও আন্দোলনের আমধ্যমে শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বঞ্চিত ও যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁরাই শাসক দলের জন্য পথের কাঁটা হতে চলেছেন। এমনটাই সূত্র মারফত খবর মিলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা, মাথার ওপর সিঁদুরে মেঘ দেখছে ঘাসফুল শিবির।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যদের জেল হেফাজত শেষে আদালতে পেশ করা হয়। এদিন আদালত থেকে বের হওয়ার সময় দুর্নীতি সমস্ত দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে মন্ত্রীর কোনও রোল নেই। নিয়োগের ক্ষেত্রে দায় শুধুমাত্র নিয়োগ কর্তাদের। একইসঙ্গে অর্পিতার ফ্ল্যাটে কোথা থেকে টাকা এল? তা নিয়েও উত্তর দিলেন না তিনি।
প্রায় সাড়ে ১৪ ঘন্টা তল্লাশির পর তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সিবিআই। শনিবার সিবিআই যেতেই বাড়িতে ভুরিভোজের আসর বয়ালেন তাপস। উপস্থিত ছিলেন দলের অন্যান্য নেতারা। অন্যদিকে, তাপসের কোটি টাকার অনুসন্ধানে নামল তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, তাপসের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক প্রবীর কয়ালের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে ২ কোটি টাকা লেনদেনের হদিশ মিলেছে।