এই রায় SSC কেলেঙ্কারিতে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়। যদিও চাকরি হারানো শিক্ষকদের জন্য এটি বড় ধাক্কা, তবে অর্থ ফেরতের দায় না থাকায় তাঁরা খানিকটা স্বস্তি পাবেন। এখন দেখার বিষয়, রাজ্য সরকার কীভাবে নতুন নিয়োগ ব্যবস্থা কার্যকর করে।
এই ঘটনা নিয়ে দেব জানান যে যতক্ষণ না দোষ প্রমাণিত হয় ততক্ষণ আমি রামের পাশে। এই ঘটনা সত্য হলে শাস্তি পেতে হবে রামকে। অবশেষে যে এজেন্টের মাধ্যমে টাকা দিয়েছিলেন সেই ব্যক্তি বুধবার সন্ধ্যায় গঙ্গেশবাবুর বাড়িতে গিয়ে ওই টাকা ফেরত দিয়ে আসেন বলে জানা গিয়েছে।
মুজাম্মেলের সঙ্গে কথা হত তৎকালীন শিক্ষাকর্তাদের।তবে ওয়াকিবহাল মহল বলেছে, এই তালিকা থেকেই বোঝা যেতে পারে টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন কারা। ফলত, সেই তালিকা সামনে এলে যোগ্যদের ভাগ্য ফিরতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
তবে এর মাধ্যমে ওই ব্যক্তির নাম জেনে গিয়েছেন তিনি । কে সেই ব্যক্তি ? তা অবশ্য খোলসা করেননি কুণাল ঘোষ ৷ তবে জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি এখনও রাজ্য মন্ত্রিসভায় রয়েছেন । স্বাভাবিকভাবে কুণাল ঘোষের এই দুই দাবিতে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি ।
কিন্তু এবার প্রশ্ন তুলেছে দীর্ঘ দিন ধরেই চাকরির দাবিতে কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, অযোগ্যদের চাকরি বাতিল হল, কিন্তু যোগ্য চাকরিপ্রাপকদের কী হবে? তাই আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।
কলকাতা হাইকোর্ট যাতে ৬ মাসের মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত সব মামলার নিষ্পত্তি করে, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চে ছিল নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি। সব মামলাই হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।