৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক প্রশ্ন করলেন বিচারপতি: “দুর্নীতি দেখেও কি বিচারপতি চুপ থাকবেন?” পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার, নজরে রাজ্যের ভূমিকা।
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন মোড়। সিবিআই জানাল, অতিরিক্ত শূন্যপদেও টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে স্থগিতাদেশ। পরবর্তী শুনানি ৪ জুলাই।
উচ্চপ্রাথমিকে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার চাকরি বিক্রি নিয়ে সিবিআই চার্জশিটে তথ্য দিলেও, কোন নথির ভিত্তিতে তা বলছে—জানতে চাইল কলকাতা হাই কোর্ট। ১ জুলাইয়ের মধ্যে জবাব চাইল আদালত।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসবে, কোন এজেন্ট কে টাকা দিয়েছেন? কত? কিভাবে টাকা দেওয়ার পরের প্রসেস চলল চাকরি পাওয়ার জন্যে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে সিবিআই বা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষে সহজ হবে দুর্নীতির পিরামিডের তলা থেকে চূড়া পর্যন্ত পৌঁছানো।
এতদিন সুপ্রিম কোর্টের নজরে অযোগ্যদের যে সংখ্যা ছিল তা পরিবর্তিত হয়েছে। অযোগ্যদের তালিকায় ঢুকে পড়ল আরও ২০৯০ জন শিক্ষক-কর্মী। শিক্ষামন্ত্রীর ব্রাত্য বসুর কথাতেই পরিষ্কার হয়ে গেল বিষয়টি। এখন যোগ্য শিক্ষক-কর্মীর সংখ্যা ১৭২০৬ জন
মুখ্যমন্ত্রী বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলেও, এই রায় মেনে নিতে পারছেন না। গতকাল সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বঞ্চিত শিক্ষকরা ইতিমধ্যেই একটি অ্যাসোসিয়েশন তৈরি করেছেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে একত্রিত হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।