এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় উপরাষ্ট্রদূতকে তলব করে এবং বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য অনুরোধ করেছে। তারা আশা করছে যে, ভারত হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্য বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
হাসিনা ইউনুসের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ করে বলেন, ১৯৯৬ সালে গ্রামীণ ব্যাঙ্ককে ৪০০ কোটি টাকা দিয়ে দাঁড় করানো হয়েছিল, কিন্তু ইউনুস আর্থিক দুর্নীতি করেছেন এবং তাঁর ক্ষমতার লোভ দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে।
শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল এবং তাঁকে ঘিরে কূটনৈতিক চাপের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জটিল হতে পারে। এই ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও, তা দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে ধারণা।
মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন কিনা বা অন্য কোনও দেশে যেতে পারবেন কিনা, তা অনেকাংশে ভারতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। তবে ইউনুস সরকারের এই পদক্ষেপ বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের উপর নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
এর আগে, গণহত্যার অভিযোগে হাসিনা-সহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য বারবার আন্তর্জাতিক মহলের নজরে পড়েছেন আওয়ামি লিগ নেত্রী।
গত ৫ অগস্ট বাংলাদেশে গণবিক্ষোভের ফলে হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। তিনি ঢাকা ছেড়ে ভারতে চলে আসেন, সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন শেখ রেহানা। ৮ অগস্ট মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়।
সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করা হবে। এ ধরনের প্রচার শুধু প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কই নষ্ট করছে না, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাও বাড়াচ্ছে।