ইউনুস চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে ভারতসহ অন্যান্য দেশের নজর রয়েছে, কারণ এর মাধ্যমে ইউনুসের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বাংলাদেশে তার প্রভাব আরও দৃশ্যমান হতে পারে।
আন্দোলন দমনের জন্য হাসিনা সরকার বহু মানুষকে বন্দি ও হত্যার অভিযোগ উঠেছে, যা ইউনূসের সরকার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে, এবং তাদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে চায়।
হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে একাধিক অশান্তির খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে এবং মুজিবুর রহমানের ৩২ ধানমন্ডির বাড়ির একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এই বিষয়ে ভারত উদ্বেগও প্রকাশ করেছে।
এছাড়া, অপারেশন ডেভিল হান্টের লক্ষ্য হল, দেশের পরিস্থিতি অস্থির করার পেছনে যাদের হাত রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা। এই অভিযানটি চলতে থাকার ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান এবং গ্রেপ্তারি অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশের এই নৈরাজ্যপূর্ণ পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, এবং বিশেষ করে ভারত সরকারকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে, যদি তারা শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অনুমতি দেয়।
বাড়ির ভাঙচুর শুরু করা হয়। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ বাড়ির একটি অংশ ধ্বংস করা হয়। এরপর, শেখ হাসিনার প্রয়াত স্বামীর বাড়ি সুধা সদনেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।