ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের ১৪ দিনের বিনা বিচারে আটক হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। শেখ হাসিনা এর বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, “বাংলাদেশে এখন ন্যায়বিচারের কোনো স্থান নেই। মৌলিক অধিকার থেকে মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সরকার আইনজীবী নিয়োগ দিতেও ব্যর্থ হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি মৌলবাদীদের ক্রমাগত আক্রমণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসকন সন্ন্যাসীদের গ্রেফতারি ও মন্দির ধ্বংসের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায় আতঙ্কে রয়েছে। কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস এই বিষয়ে বলেছেন, “গণহত্যা শুরু হলে এটি আর নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।”
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যরা খোলাখুলি ভারত-বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস ভারতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করা হবে। এ ধরনের প্রচার শুধু প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কই নষ্ট করছে না, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাও বাড়াচ্ছে।



