মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস শুধুমাত্র মুখে থেকে বের হওয়া শব্দ। পাল্টা সেই আন্দোলনের চিৎকার মনে করিয়ে দিতে চায় প্রতিশ্রুতির শব্দগুলি। ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবসে পড়ল ৩১৭ দিন অতিক্রান্ত করলেন তাঁরা।
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রকৃত প্রতিভাকে অসম্মান করছে কেন্দ্র। গোটা বাংলাকে অপমান করা হয়েছে। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানলেন বিদ্বজনেরা। হাসির ওপর চলে গেছে কেন্দ্র সরকার। খুব খারাপ লাগছে জানালেন কবির সুমন।
রেলের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই বিহারের পরিস্থিতি হাতের বাইরে যেতে শুরু করেছিল। অভিযোগ, ২০১৯ সালের বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা নিয়ে কিছুই জানানো হয়নি। এমনকি প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষার ফলাফল কেউ হাতে পাননি।
উল্লেখ্য, কবে রাজ্যে স্কুল কলেজ খুলবে? এই প্রশ্নে সরব হয়েছিল বিভিন্ন মহল। অবিলম্বে স্কুল খোলার দাবীতে শিক্ষামন্ত্রীকে ডেপুটেশন এসএএফআইয়ের। সেখানেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এসএফআই নেতৃত্ব।
এদিন মাস্টার্সে আসন সংখ্যা বাড়াতে হবে। এই দাবীতে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের তরফে অভিযোগ, উপাচার্য তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু স্নাতকোত্তর স্তরে আসন বৃদ্ধির দাবি নিয়ে তিনি কোনও কথা বলেননি।