নজরবন্দি ব্যুরোঃ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রকৃত প্রতিভাকে অসম্মান করছে কেন্দ্র। গোটা বাংলাকে অপমান করা হয়েছে। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানলেন বিদ্বজ্জনেরা। হাসির ওপর চলে গেছে কেন্দ্র সরকার। খুব খারাপ লাগছে জানালেন কবির সুমন।
আরও পড়ুনঃ পদ্মভূষণ সম্মান দেওয়ার নামে বুদ্ধদেব কে অপমান করাই ছিল লক্ষ্যঃ বিকাশ ভট্টাচার্য


মঙ্গলবার পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র সরকার। দিল্লি থেকে ফোন আসা মাত্রই তা প্রত্যাখান করেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখ্যোপাধ্যায়। এই সম্মান নিতে অপরাগ তিনি। স্পষ্ট জানিয়ে দেন বর্ষীয়ান সঙ্গীতশিল্পী। পরিবারের কথায় ১২ বছর সঙ্গীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। ৭৫ বছর কাটিয়ে দেওয়ার পর এখন সরকারের এই কথা মনে পড়েছে? এমনকি তাঁর চেয়ে কমবয়সী অনেককেই এই সম্মান দেওয়া হয়েছে।
কবীর সুমন বলেন, সন্ধ্যা মুখ্যোপাধ্যায়কে পদ্মশ্রী দিতে চেয়ে অপমান করল কেন্দ্র সরকার। বিদ্বেষ থেকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়েছে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে। শ্বেতাঙ্গরা অন্তত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নোবেল পুরস্কারটা দিয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা অন্য কিছু বিচার করেননি। এই শহরে দুই জন বসে আছেন যাঁরা ওই সম্মান পাবেন। তাঁদের কেরিয়ারটা দেখুন। আর সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের কেরিয়ারটা দেখুন। তাঁদের থেকে অনেক ওপরে রয়েছেন সন্ধ্যা মুখ্যোপাধ্যায়। কী কী ধরনের গান গেয়েছেন উনি। খুব খারাপ লাগছে। এই বয়সে এসে ধাক্কা খেলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রকৃত প্রতিভাকে অসম্মান করছে কেন্দ্র, সরব কবীর সুমনরা

সাহিত্যিক আবুল বাশার জানান, বাঙালি রোমান্স শুরু বঙ্কিমচন্দ্রের মধ্যে দিয়ে। বাঙালি রোমান্স শুরু সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গানের মাধ্যমে। বাঙালিদের উপরে বিদ্বেষ রয়েছে। প্রকৃত প্রতিভাকে অসম্মান কেন্দ্রের। বাঙালি শিল্পীদের মধ্যে মহত্তম সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। বাঙালির হৃদয় স্পর্শের জন্য যে মাদকতার প্রয়োজন ছিল তা ছিল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের। ভারত সরকার কী করল সেটা তুচ্ছ বিষয়।









