নজরবন্দি ব্যুরোঃ পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে গত সন্ধ্যায় পদ্মভূষণ পুরস্কার প্রদানের কথা ঘোষণা করা হয়। যদিও এর কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতি দেন। দলের তরফেই সেই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বুদ্ধদেব জানান, “পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়ে আমি কিছুই জানি না, আমাকে এই নিয়ে কেউ কিছু বলেনি। যদি আমাকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়ে থাকে তাহলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করছি।”
আরও পড়ুনঃ নির্বাচনের মুখে গোয়া তৃণমূলে বড় ধাক্কা, দল ছাড়লেন সাধারণ সম্পাদক


এরপরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা। একদিনে যখন বাম সমর্থকরা নিজেদের ত্যাগের প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ার ওয়াল তখন অন্যদিকে বিজেপি বলছে, এই সম্মান কোন দলের সম্মান নয়। রাষ্ট্রর দেওয়া সম্মান। তাহলে কেন তা প্রত্যাখ্যান? এদিন দিলীপ ঘোষ একই ঘটনা নিয়ে খোঁচা দেন বুদ্ধবাবুকে। তাঁর দাবি, পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়েও রাজনীতি করা হচ্ছে!

এদিনে সকালে মেদিনীপুর শহরে চা চক্রে যোগ দিয়ে দিলীপ বাবু বলেন, ‘পুরস্কার গ্রহণ করা না করা ওনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত৷ কিন্তু কমিউনিস্টরা বরাবরই দেশের পরম্পরা, সংস্কৃতিকে অপমান করেন৷’ তবে দিলীপ ঘোষের এই কথার সপাট জবাব দিয়েছেন সিপিআইএম সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, বিজেপিই আসলে দেশের পরম্পরা জানেনা।


পদ্মভূষণ সম্মান দেওয়ার নামে বুদ্ধদেব কে অপমান করাই ছিল লক্ষ্যঃ বিকাশ ভট্টাচার্য

এদিন বুদ্ধবাবুর পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান নিয়ে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “যার নামের সঙ্গে দেশের অন্যতম প্রাচীন সৌধ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মতো অভিযোগ রয়েছে, সেই কল্যাণ সিং-কে পদ্মবিভূষণ দেওয়া হচ্ছে৷ আর বুদ্ধবাবুর মতো নিষ্কলুষ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে পদ্মভূষণ।” অর্থাৎ প্রকারান্তরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কে অসম্মান করাই লক্ষ্য।







