অশান্তির ঘটনা গুলির প্রসঙ্গে এক বিস্ফোরক দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়নে হিংসায় ঘটনায় তৃণমূলের যোগ পেয়েছেন রাজ্যপালও! এদিন রাজভবন থেকে বেরিয়ে এমনটাই বিস্ফোরক দাবি করেছেন তিনি। যদিওবা রাজভবন সূত্রে অবশ্য সুকান্তের এই তথ্যের সমর্থনে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে উঠে এসছে অশান্তির ঘটনা। এহেন পরিস্থিতিতেই সম্পূর্ণ হয়েছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। পাশাপাশি কমিশনের পক্ষ থেকেও শুক্রবার মনোনয়নের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেই তালিকার জেরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ছড়িয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে নবান্ন প্রশ্ন তুলেছে, 'রাজ্যে পর্যাপ্ত পুলিস ও যথেষ্ট পরিকাঠামো নেই, তা কীভাবে জানল আদালত। রাজ্যকে অবস্থান জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি'।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই মনোনয়ন পর্বে একাধিক জায়গায় অশান্তির বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। সেক্ষেত্রে নিচু স্তরের কর্মীরা যাতে কোনওভাবে অশান্তি, মারামারিতে না জড়িয়ে পড়েন এবং সর্বোপরি দলের ভাবমূর্তি না নষ্ট করেন সে ব্যাপারে শীর্ষ নেতৃত্ব কোনও বার্তা দিতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই বাংলাজুড়ে একের পর এক হিংসা ও অশান্তির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। যার জেরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের পঞ্চায়েতে ভোট নিয়ে একাধিক নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রথমে পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হুঁশিয়ারি দিলেও, শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজ্যের ভোটের পরিস্থিতি বুঝে এবারের পঞ্চায়েতে রাজ্যের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীই মোতায়ন থাকবে বলেই জানান আদালত।
নইলে ২ লক্ষ পেরিয়ে যেত। যে সমস্ত জায়গাগুলোতে বিরোধীরা নমিনেশন ফাইল করতে পারিনি, সেই সমস্ত জায়গাতে প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে নমিনেশন ফাইল করতে পারে।