কেন্দ্রের অর্ডিন্যান্স জারি করার বিরোধিতায় সমর্থন নিতে উদ্ধব ঠাকরের পাশাপাশি এনসিপি সভাপতি শরদ পাওয়ারের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন আপ সুপ্রিমো। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার কলকাতা সফরে এসেছিলেন কেজরিওয়াল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক সারেন তিনি। বৈঠক শেষে একসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তাঁরা। সেখানেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।
মুম্বই সফরে এসে শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন নীতীশ কুমার। এনিয়ে এনসিপি সভাপতি বলেছিলেন, "আমরা অবশ্যই দেখা করব যদিও আমার কাছে সমস্ত তথ্য নেই। আমাদের মূল উদ্দেশ্য বিজেপি সরকারের বিকল্প নিয়ে আসা।” তিনি আরও বলেন, “মমতা হোক বা নীতীশ সকলেরই একই উদ্দেশ্য। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
গতমাসেই কলকাতা সফরে এসেছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল তাঁর। তখনই ঘরোয়া বৈঠকে বিরোধী দলগুলিকে একজোট হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি জানা গিয়েছিল, মমতার প্রস্তাব মতো বিরোধী শিবিরের মহাসম্মেলন হতে চলেছে চলতি মাসেই।
তিনি আরও বলেন, "আমি কোনওভাবেই দলের নেতাদের রাজি করাতে পারতাম না। তাই অনেক ভেবেই তাঁদের না জানিয়েই পদত্যাগ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিই। আমি ভেবেছিলাম হয়তো তাঁদের রাজি করিয়ে ফেলব কিন্তু আমি পারিনি। তাঁদের আর্জির মান্যতা দিয়েই পুনরায় দায়িত্বে ফিরেছি।"
গত মঙ্গলবার নিজের আত্মজীবনী ‘Lok Maze Sangati' প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসে এনসিপি সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ওইদিনই জানিয়েছিলেন দলের পরবর্তী সভাপতি গঠন করবে এনসিপি কমিটি।
শরদ পাওয়ার এমন সময় তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যখন অজিত পাওয়ারের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা প্রবল ছিল। যদিও মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি এনসিপি-তে আছেন এবং এই দলেই থাকবেন।