নজরবন্দি ব্যুরো: এনসিপি দলের সভাপতি রয়েছেন শরদ পাওয়ার। শুক্রবার দলীয় কমিটির বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার আচমকাই সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করেছিলেন তিনি। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কাউকে কিছু জানাননি কেন প্রবীণ নেতা। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানালেন তিনি।
আরও পড়ুন: Kashmir-এ নিহত জওয়ানের কফিনবন্দী দেহ ফিরছে বাংলায়, শেষবার স্বামীকে দেখার অপেক্ষায় নববধূ


শরদ পাওয়ার বলেন, “আমি যদি আমার দলের সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করতাম তাহলে তাঁরা আমাকে সমর্থন করত না। একটা সময়ে গিয়ে আমাকে ইস্তফা দিতে হত। অনুষ্ঠান মঞ্চে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা করেছিলাম ঠিকই কিন্তু পরের দিন থেকেই আবার আগের মতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, “আমি কোনওভাবেই দলের নেতাদের রাজি করাতে পারতাম না। তাই অনেক ভেবেই তাঁদের না জানিয়েই পদত্যাগ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিই। আমি ভেবেছিলাম হয়তো তাঁদের রাজি করিয়ে ফেলব কিন্তু আমি পারিনি। তাঁদের আর্জির মান্যতা দিয়েই পুনরায় দায়িত্বে ফিরেছি।”



শরদ পাওয়ারের হঠাৎ ঘোষণার পর এনসিপি শিবিরের সদস্যরা হতভম্ব হয়ে যায়। দলের নেতা-কর্মী, সমর্থকরা তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। এরপর দলের সভাপতি থাকবেন কি না তা নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে দুদিনের সময় চেয়েছিলেন। এইসময়ে পরবর্তী সভাপতি হিসেবে শরদ পাওয়ারের মেয়ে এবং রাজ্যসভার সদস্য সুপ্রিয়া সুলে, ভাইপো অজিত পাওয়ার, প্রফুল প্যাটেল এবং ভুজবলের নাম উঠে এসেছিল। তবে গতকালের বৈঠকের পর যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটে। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির সভাপতি থাকছেন শরদ পাওয়ারই।
কাউকে না জানিয়েই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত Sharad Pawar-এর, কি বললেন এনসিপি প্রধান

১৯৯৯ সালে কংগ্রেস থেকে আলাদা হয়ে এনসিপি দল গঠন করেন শরদ পাওয়ার। পদত্যাগের ঘোষণা করার সময় মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “১৯৬২ সাল থেকে আমি রাজনীতিতে আছি। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত। টানা ৫৬ বছর ধরে আমি বিধায়ক নয় সাংসদ পদে থেকেছি। এবার সরে আসার সময়। তাই সভাপতি পদ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” পাশাপাশি অজিত পাওয়ারের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনাতেও ইতি টানেন এনসিপি প্রধান।







