মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে কারও নাম না ঘোষণা করাটা বিরাট বড় ভুল হবে। শিবসেনার মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করা উচিত। সরাসরি উদ্ধব ঠাকরের নাম প্রস্তাব না করলেও তাঁর বক্তব্য, ২০১৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন দারুন কাজ করেছেন উদ্ধব ঠাকরে। তবে কংগ্রেস এখনও নীরব ।
এই অবস্থায় সেবি অফিসে গেলেও ডিরেক্টরের দেখা যে পাবেন না তা বেশ বুঝতে পারছেন বিরোধী নেতৃত্বরা। সেই পরিস্থিতিতে সেবি অফিসের সামনে বিক্ষোভ ও আন্দোলনের রণকৌশল ঠিক করা হয় এদিনের বৈঠকে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে মল্লিকার্জুন খাড়গের নাম প্রস্তাব করেছেন। এনিয়েই ভিন্ন মত শোনা গেল শরদ পাওয়ারের মুখে। তবে কি লোকসভা ভোটের আগেই ইন্ডিয়া জোট ভাঙনের পথে, এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
দেশের বিভিন্ন অবিজেপি শাসিত রাজ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি তদন্ত করছে। ইডি-সিবিআইকে ব্যবহার করে কেন্দ্র বিরোধীদের বিপাকে ফেলতে চাইছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এবার নাম না করেই ভাইপো অজিতকে খোঁচা দিলেন এনসিপি সভাপতি শরদ পাওয়ার।
এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একমঞ্চে দেখা যাবে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারকে। আগামী ১ অগস্ট পুনেতে এক অনুষ্ঠানে দু’জন হাজির থাকবেন বলে সূত্রের খবর। একদিকে যখন বিরোধী জোট পাল্লা দিয়ে লড়াইয়ের কথা ভাবছে সেখানে শরদ মোদীর এই সাক্ষাতে কপালে ভাঁজ বাড়ছে INDIA-র।
গত ২ জুলাই অজিত পাওয়ার এবং এনসিপির বিধায়কদের একাংশ একনাথ শিণ্ডে সরকারে যোগদান করেন। এরপর এটাই তাঁদের প্রথম বৈঠক। কয়েকদিন আগেও 'ভাইপো' অজিত পাওয়ার 'কাকা' শরদ পাওয়ারের বাসভবনে গিয়েছিলেন।
মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষেত্র এখন আলোচনার শীর্ষে। এনসিপি দল ছেড়ে শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন অজিত পাওয়ার। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবার পেলেন অর্থ দফতরের দায়িত্ব। এই দফতর এতদিন সামলাতেন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। সেইসঙ্গেই অজিত শিবিরে এল সাতটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর।