নজরবন্দি ব্যুরো: এনসিপি ত্যাগ করে মহারাষ্ট্রের বিজেপি জোট সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন অজিত পাওয়ার। তিনি বর্তমানে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী। এদিকে অজিতের সঙ্গেই দল ছেড়েছেন এনসিপির একাধিক নেতা। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাঁদের বিদ্রোহী হিসেবেই ধরা হচ্ছে। রবিবার তারাই আচমকা দেখা করলেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে। মহারাষ্ট্রের বিধানসভায় বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার একদিন আগেই তাঁদের এই সাক্ষাৎ বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: কাজ পছন্দ না হলেই সরিয়ে দেওয়া হবে, পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের আগে কড়া বার্তা তৃণমূলের


আজ যশবন্তরাও চৌহান সেন্টারে শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করতে যান ‘ভাইপো’ অজিত পাওয়ার। এছাড়াও প্রফুল পাটিল, সুনীল তাতকারে সহ ৯ জন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। শরদ পাওয়ারের সঙ্গে সেখানে ছিলেন তাঁর মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে, জয়ন্ত পাটিল সহ প্রমুখ। প্রফুল পাটিল আজকের সাক্ষাৎ নিয়ে বলেন, “আমাদের ভগবানের সঙ্গে দেখা করলাম, তাঁর আশীর্বাদ নিলাম। কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই এসেছিলাম। শরদ পাওয়ার আমাদের কথা শুনলেও কোনও জবাব দেননি। এবার সকলে ফিরে যাচ্ছি।” প্রসঙ্গত, প্রফুল পাটিলকে বরাবরই শরদ পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বলা হত। এনসিপির অন্দরের খবর, তাঁর বিশ্বাসঘাতকতা দলের সভাপতিকে আঘাত করেছে।

গত ২ জুলাই অজিত পাওয়ার এবং এনসিপির বিধায়কদের একাংশ একনাথ শিণ্ডে সরকারে যোগদান করেন। এরপর এটাই তাঁদের প্রথম বৈঠক। কয়েকদিন আগেও ‘ভাইপো’ অজিত পাওয়ার ‘কাকা’ শরদ পাওয়ারের বাসভবনে গিয়েছিলেন। জানা গিয়েছিল, শরদ পাওয়ারের স্ত্রী প্রতিভা পাওয়ার অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। তাঁকে দেখতেই সেখানে যান অজিত। এনিয়েও অনেক প্রশ্ন, সমালোচনা শুরু হয়। এনিয়ে অজিত পাওয়ারের স্পষ্ট উত্তর ছিল, “আমার অধিকার আছে, কাকীর সঙ্গে দেখা করার।” বিজেপি নেতা প্রতিক্রিয়া দিয়ে জানিয়েছিলেন, “যদি তাঁরা রাজনীতি এবং পরিবার আলাদা রাখতে পারে তবে কোনও জটিলতা তৈরি হবে না। উদ্ধভ ঠাকরের শেখা উচিত।”



উল্লেখ্য, দেবেন্দ্র ফড়নবীশের হাত থেকে অর্থ দফতর হাতছাড়া হয়েছে। সেই দায়িত্ব পেয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। এছাড়া, পরিকল্পনা, কৃষি, সমবায়, নারী ও শিশু কল্যাণ, খাদ্য ও সরবরাহ, ডাক্তারি শিক্ষা, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের মত গুরুত্বপূর্ণ দফতর গিয়েছে অজিত শিবিরের ঝুলিতে।
শরদের সঙ্গে সাক্ষাৎ অজিত শিবিরের, বিদ্রোহী বিধায়কদের ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’








