নজরবন্দি ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষেত্র এখন আলোচনার শীর্ষে। এনসিপি দল ছেড়ে শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন অজিত পাওয়ার। রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবার পেলেন অর্থ দফতরের দায়িত্ব। এই দফতর এতদিন সামলাতেন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। সেইসঙ্গেই অজিত শিবিরে এল সাতটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর।
আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল DA মামলার শুনানি, সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষার মেয়াদ বাড়ল


দেবেন্দ্র ফড়নবীশের হাত থেকে অর্থ দফতর হাতছাড়া হয়েছে। সেই দায়িত্ব পেলেন অজিত পাওয়ার। এছাড়া, পরিকল্পনা, কৃষি, সমবায়, নারী ও শিশু কল্যাণ, খাদ্য ও সরবরাহ, ডাক্তারি শিক্ষা, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের মত গুরুত্বপূর্ণ দফতর গিয়েছে অজিত শিবিরের ঝুলিতে। চলতি মাসের ২ তারিখ অজিত পাওয়ার সহ ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির একাধিক নেতা মহারাষ্ট্রের শিন্ডেসেনা-বিজেপি জোট সরকারের মন্ত্রীপদে শপথ নিয়েছিলেন। অজিত পাওয়ার ছাড়াও তালিকায় আছেন ছগন ভুজবল, দিলীপ ওয়ালসে পাটিল, অদিতি টাটকারে, ধনঞ্জয় মুন্ডে, হাসান মুশারিফ, ধরমরাজ বাবারাও আতরাম, সঞ্জয় বাঁসোদে এবং অনিল ভাইদাস পাটিল। শরদ পাওয়ারের অনুমোদন ছাড়াই এত বড় পদক্ষেপ নেওয়ায় ৭ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন এনসিপি প্রধান।

এদিকে কাকা শরদ পাওয়ারকে সরিয়ে দলের সভাপতি হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন অজিত। এনসিপি (NCP) দলের নাম ও প্রতীক চিহ্ন চেয়ে দুই গোষ্ঠী নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধায়কদের সংখ্যার নিরিখে ভাইপোর পাল্লা ভারী বলেই মনে করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের বিধানসভায় এনসিপি বিধায়ক ৫৩ জন। সমর্থন প্রয়োজন ৩৬ জনের। অজিত পাওয়ার আগেই দাবি করেছেন তাঁর সঙ্গে ৪০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে।



শিবসেনার পর এবার এনসিপি। মহারাষ্ট্রের আরও একটি শক্তিশালী সংগঠনে ভাঙন। বিগত বেশ কিছু সময় ধরে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। এনসিপি সভাপতি পদে পুনরায় শরদ পাওয়ারের প্রত্যাবর্তন গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলেছিল। গত ২ জুলাই সমস্ত জল্পনায় শিলমোহর পড়ে।
অর্থ হাতছাড়া হল ফড়নবীশের, মহারাষ্ট্রের ৭ গুরুত্বপূর্ণ দফতর অজিত শিবিরে








