নজরবন্দি ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানির দিন এখনও স্থির করা হয়নি। এনিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করার দাবি তোলেন তিনি। তবে শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষার মেয়াদ আরও বাড়ল।
আরও পড়ুন: ৩৫০ কোটি টাকার নিয়োগ দুর্নীতি! তদন্ত কি অনন্তকাল চলবে? ইডিকে প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার


শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি পঙ্কজ মিথিলের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। বারবার শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় অভিষেক মনু সিংভি কার্যত ক্ষোভের সুরেই বলেন, “এর আগের শুনানিতে জানানো হয়েছিল, এবার চূড়ান্ত শুনানি হবে। তা সত্ত্বেও মামলা ‘মিসলেনিয়াস ডে’-তে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি হওয়া প্রয়োজন।” তিনি আরও জানান, সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবেই রাজ্যের অন্তর্গত। তবুও এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন। এদিকে সরকারি কর্মচারীদের দাবি অনুযায়ী, ৩ লক্ষেরও বেশি কর্মচারীকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে হলে কোষাগারে ৪১ হাজার কোটি টাকার প্রভাব পড়বে।

বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সরকারী কর্মচারীদের একাংশ। ওই মামলায় গত মে মাসে রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। রাজ্যকে তিন মাসের সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে মামলা করে রাজ্য সরকার। তবে বারবার শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে দু পক্ষই। যদিও সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, “মামলাটির দীর্ঘ শুনানি প্রয়োজন। তাই শুনানির জন্য নির্দিষ্ট দিন ঠিক করা হবে।”



বকেয়া ডিএ এবং কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে অনশন শুরু করে বহু সরকারী কর্মচারী। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস অনশন তুলে নেওয়ার অনুরোধ করলেও নিজেদের দাবিতে তাঁরা অনড়। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজ্য সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকে যতটা সম্ভব দেওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু কেন্দ্রের হারে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়।
সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল DA মামলার শুনানি, সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষার মেয়াদ বাড়ল








