নজরবন্দি ব্যুরো: একের পর এক দুর্নীতিতে জর্জরিত বাংলা। সেগুলির মধ্যে অন্যতম নিয়োগ দুর্নীতি কেলেঙ্কারি। ইডি, সিবিআই তদন্ত চালাচ্ছে। কয়েকশো কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে দুই গোয়েন্দা সংস্থা। শুক্রবার মামলার শুনানিতে আদালতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ তাৎপর্যপূর্ণ। তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
আরও পড়ুন: বামেদের অপশাসনকেও ছাপিয়ে গিয়েছে তৃণমূল, মমতাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ রবিশংকরের
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডির তদন্তকারী আধিকারিকদের উদ্দেশে বলেন, “তদন্ত কি অনন্তকাল চলবে? যখন আপনারা এই দুর্নীতির তদন্তে একটি গ্রহণযোগ্য জায়গায় পৌঁছাবে তখন কি এই মামলার কোনও গুরুত্ব থাকবে?” আকাঙ্খিত গতিতে তদন্ত চলছে না বলেও পর্যবেক্ষণ বিয়ারপতির। এছাড়া, দুর্নীতির কিং পিন কে? দুর্নীতির পিছনে কার মাথা রয়েছে? এইসব প্রশ্নের উত্তর দ্রুত ইডিকে খুঁজে বের করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, অয়ন শীল ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ১৫ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি, ৪৩ টি স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আজ আদালতে মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

ইডির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১২৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি এবং নগদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রাথমিক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা টলিউডে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। অন্যদিকে, কুন্তল ঘোষের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়েছে। সিবিআইয়ের সই করা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কুন্তল ঘোষের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়নি। চিকিৎসক, পরিবার এবং আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গিয়েছে।

টাকা দিয়ে কারা চাকরি পেয়েছেন? সেই চাকরি পেয়ে কারা কারা এখনও চাকরি করছে, তদন্তে তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সিনহা। আগামী ২৯ আগস্টের মধ্যে দুই তদন্তকারী সংস্থাকে পরবর্তী রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে।
৩৫০ কোটি টাকার নিয়োগ দুর্নীতি! তদন্ত কি অনন্তকাল চলবে? ইডিকে প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার




