কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বঙ্গ রাজনীতিতে তো বটেই, দেশের মধ্যে এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক চরিত্র। বেশ কয়েক মাস আগে তিনি উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার স্পিকার জগদীপ ধনকড়কে 'নকল' করেন সংসদের বাইরে। সেখানে কল্যাণের 'নাটকীয়' উপস্থাপনা দেখে পকেট থেকে মোবাইল বের করে ভিডিও তোলা শুরু করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।
লোকসভায় চলতি বিশেষ অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর হিন্দুধর্মকে নিয়ে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এমনকি রেকর্ড থেকেও মুছে ফেলা হয়েছে রাহুলের ভাষণের কিছুটা অংশ।
বিরোধী দলনেতার বক্তব্যে যে ভাষা স্ফুলিঙ্গ তৈরি হল, সেখানে কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কখনও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বা প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহকে উঠে দাঁড়িয়ে বাধ্য হতে হল রাহুলকে থামাতে! তিনি থামলেন, সাময়িক, আবার শুরু করলেন, চিরকালীন?
স্পিকার ওম বিড়লাকেও কটাক্ষ করেন রাহুল। অভিযোগ করেন আর এক বার তাঁর মাইক বন্ধ করা নিয়ে। সঙ্গে বলেন, "মোদিজীকে দেখলেই আপনি ঝুঁকে যান কেন?" পাল্টা বিড়লা বলেছেন, "প্রয়োজনে পা ছোঁব!"
কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ সাফ জানিয়েছেন, বিতর্কের শুরুতেই প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি নিয়ে তাঁরা আলোচনা চান। একেবারে স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে জবাবদিহি করতেই হবে বলে দাবি ইন্ডিয়া জোটের।